Thursday 19th of October 2017 08:44:38 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,শিমুল তরফদার, শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ দিনভর শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও উপস্থিতির কারনে শ্রীমঙ্গল এর ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টানের সামনে অবস্থিত পৌরসভার ময়লা ফেলার স্তুপে ময়লা ফেলতে পারেনি পৌরসভা। কিন্তু রাত নামতে না নামতেই পৌর সভার ২ ময়লা বুঝাই গাড়ি এসে উপস্থিত নিষেধাজ্ঞা করা যায়গায়। তবে সেখানে ময়লা ফেলার সুযোগ দেয় নি এলাকাবাসী।  মুহুত্তেই কয়েকশত এলাকাবাসী জড় হয় সেখানে। পৌরসভার ময়লা ফেলার গাড়ি গুলোকে ফিরিয়ে দেন সেখান থেকে।

এদিকে রবিবার (৩১ জুলাই) সকালে শ্রীমঙ্গল কলেজ রোডস্থ ময়লার ভাগাড়ে ময়লার গাড়ী আটকিয়ে দিয়ে সেখানে বাঁশ বেড়া দিয়ে প্রতিবাদ জানায়েছিলেন এলাকাবাসীসহ আন্দোলনরত সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী, সচেতন নাগরিক এবং অভিভাবকরা।
সোমবার (৩১ জুলাই) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজে, দি বার্ডস রেসিডেন্সিয়্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং গাউছিয়া শফিকিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী প্লেকার্ড, ফেস্টুন হাতে নিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দিনভর পৌরর সভার গাড়ি ময়লা ফেলতে পারেনি।

এলাকাবাসী জানায়, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্টদের কাছে আমাদের দাবি জানিয়ে আসছি। মানববন্ধন, মতবিনিময়সহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছি। পৌর সভায় ময়লার ডিপোর পাশে বেশ কয়েকটি সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদরাসা, মসজিদসহ আবাসিক এলাকা রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার শিক্ষক প্রতিনিয়ত উৎকট দুর্গন্ধের মধ্যে পাঠদানরত। মাঝে মধ্যে অনেক শিক্ষার্থীদের ময়লার দুর্গন্ধে অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে পাঠাতে হচ্ছে। এহেন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে বাসাবাড়ীতে স্থানীয় এলাকাবাসী দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করছেন।
তারা আরো জানায়,  এই জায়গায় আর ময়লা ফেলতে দেওয়া হবে না। আমরা দরকার হলে রাত জেগে পাহারা দিব।

উল্লেখ্য শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের জেটি রোড এলাকার অধিগ্রহণ কৃত জমিতে নতুনভাবে ময়লার ভাগাড় নির্মাণের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করলে মহামান্য হাইকোর্ট ওই জমির উপর প্রথমে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। পরে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রিট পিটিশনটি খারিজ করে দিলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গত ১৩ ও ১৫ জুন পৌরসভা ওই জমিতে কাজ করতে গেলে বাঁধার সম্মূখীন হয়।

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে চরম দূভোর্গের মধ্যে ৩ লক্ষাধিক জনসাধারন

জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া,জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) থেকে ফিরেঃ সুনামগঞ্জে প্রধান মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ৬বছর পার হলেও জামালগঞ্জ উপজেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উপর জামালগঞ্জ-সাচনা সেতু নির্মানের কাজ শুরু হচ্ছে না। ফলে চরম দূভোর্গের মধ্য দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড় হচ্ছে উপজেলার ৩লক্ষাধিক জনসাধারন। ২০১০সালে তাহিরপুর উপজেলায় এক জনসভায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ৪টি সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন তার মধ্যে জামালগঞ্জ-সাচনা সেতুটি ছিল উল্লেখ্য যোগ্য।

প্রধান মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ৭বছরেও সেতু নির্মানের কার্যক্রম না নেওয়ার ফলে এলাকাবাসীর মাঝে র্দীঘ দিনের ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাহিরপুরের লাউড়ের গড়ের যাদুকাটা নদীর উপর সেতু সহ অন্য তিনটি সেতুর শাল্লার মারকুলি বাজারের কুশিয়ারা সেতু,জামালগঞ্জের সেলিমগঞ্জ সড়কে সেলিমগঞ্জে সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মানের প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন হলেও জামালগঞ্জ-সাচনা সেতুটি নির্মান উদ্যোগ নেওয়া হয় নি আজও। সরজমিনে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায়,জামালগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের  ৩লক্ষাধিক জনসাধারন দীর্ঘ ৪০বছর ধরে দাবী জানিয়ে আসলেও জামালগঞ্জ-সাচনা বাজারের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মানের দাবী বার বার উপেক্ষিত হয়ে আসছে।

এই সেতুর নির্মানের অপেক্ষায় অধির আগ্রহ নিয়ে উপেক্ষা করছে জামালগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের দু-লক্ষাধিক উপজেলাবাসী সহ ৪টি উপজেলার ১২লক্ষাধিক জনসাধারন। সেতুটি তৈরী হলে জেলা সদরের সাথে বিভিন্ন উপজেলার সাথে কম সময়ের মধ্যে পৌছানো যাবে এবং ব্যবসা বানিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। এ নদীর উপর একটি মাত্র সেতু না থাকায় জীবনের যুকিঁ নিয়ে ও র্দীঘ সময় নষ্ট করে নদী পারাপাড় হচ্ছে প্রতিদিন স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থী,বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্টানের চাকুরীজীবি,ব্যবসায়ী,চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও সাধারন মানুষ। নদী পারাপড়ের জন্য দুটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে বাইসাইকেল,মটরসাইকেল,ঠেলাগাড়ি,ভেনগাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন পারাপার হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

এই সেতুর সাথে জরিয়ে আছে জামালগঞ্জ উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাম্ভরপুর,তাহিরপুর,ধর্মপাশা উপজেলা ও জেলা সদরের কয়েকটি ইউনিয়নের ১২লক্ষাধিক জনসাধারন। জেলার ব্যবসা বানিজ্য ও হাট বাজার করার প্রান কেন্দ্র হিসাবে সাচনা বাজার প্রসিদ্ধ হওয়ায় ও জামালগঞ্জ-দিরাই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য থাকায় এবং সময় বেশী লাগার কারনে জেলা সদরের সাথে সহজে যোগযোগের জন্য এই নদী পাড় হয়ে সাচনা-সুনামগঞ্জ সড়কটি ব্যবহার করেছেন সর্বস্তরের জনসাধারন। আর এই সড়ক দিয়ে বাস,সিএনজি,লেগুনা সহ বিভিন্ন যানবাহন সাজনা বাজার আসে লোকজন পরে নদী পাড় হয়ে জামালগঞ্জ উপজেলায় আসছে।

আরো জানা যায়,জামালগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা ও কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান। শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলোতে ৮-৯শত শিক্ষার্থীর বেশি লেখাপড়া করে। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন এলাকার হাজার হাজার মা,শিশু ও বৃদ্ধ অসুস্থ রোগীরা ঝুকি নিয়ে এই নদী পাড় হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছেন। আর এখানকার অধিকাংশ কৃষক,সবজি চাষীরা তাদের উৎপাদিত পন্য সামগ্রী বেচা কেনার সাচনা বাজার,জেলা সদর,পাশ্ববর্তি বিশ্বাম্ভরপুর,তাহিরপুর ও জেলা সদরে আসা যাওয়া করতে পারছে না নদী ব্রীজ না থাকায়।

এই সুযোগে জেলা পরিষদ থেকে লীজ নিয়ে মটর সাইকেল,ঠেলাগাড়ি/ ভেনগাড়ি জীবনের যুকি নিয়ে পারাপার করছে খেয়াঘাটের ইজারাদারগন। জেলা সদর,পাশ্ববর্তি উপজেলা গুলোর বাজারের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য জামালগঞ্জ-সাচনা বাজারের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উপর সর্বস্তরের জনসাধারন স্বাধীনতার পর থেকে একটি ব্রীজ নির্মানের দাবী জানিয়ে আসছে।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রনালয় এবং এলজিইডির সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়,সাচনা বাজার সেতুটির ডিজাইন করার প্রস্তাব গত ফেরুয়ারী মাসে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। এই সেতুটির ডিজাইন করা প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে অনুমোদন হবে। অনুমোদন হলেই প্লানিং কমিটিতে পাঠানো হবে। প্লানিং কমিশনে অনুমোদনের পরই দরপত্র প্রক্রিয়ায় যাবে। স্থানীয় সাংবাদিক তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ বলেন,এই সেতুটি নির্মান হলে জেলা সদর,পাশ্বভর্তি জামালগঞ্জ,তাহিরপুর উপজেলা ও ধর্মপাশা উপজেলার সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হত।

স্থানীয় এলাকাবাসী,ব্যবসায়ী,শিক্ষক,ছাত্রছাত্রীরা জানান-জামালগঞ্জ-সাচনা বাজারের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মান হলে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারনের ব্যবসা-বানিজ্য ও চলাচলের পথ সুগম হবে। বর্ষায় স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সহ সর্বস্থরের জনসাধারন জীবনের ঝুকি নিযে নদী পার হতে হয়। এই এলাকার কৃষকগন জানান,ব্রীজ না থাকায় আসা-যাওয়া করতে গেলে যাতায়াত খরচের পরিমান বেড়ে যাওয়া। ফলে ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কষ্টার্জিত ফসল বিক্রি করে লাভবান হতে পারছেন না। ক্ষোবের সাথে প্রবীন সাংবাদিক ওয়ালী উল্লাহ সরকার বলেন,এ নদীতে সেতু না থাকায় জরুরী কাজে পাড় হতে গিয়ে প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছে। রাতের বেলায় ত জরুরী ভিত্তিতে কোন রোগী নিয়ে বা সমস্যার হলে পার হতে ত দূর্ভোগের অন্ত নেই।

জামালগঞ্জ-সাচনা সেতু হলে জামালগঞ্জ উপজেলা সহ ৪টি উপজেলার চিত্র বদলে যেত সহজে। ভাটির মানুষের প্রানের দাবী বাস্থবায়ন হবে কবে তা বুজতে পারছিনা। সুনামগঞ্জ ১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন জানান,এলাকাবাসীর সুবিধার স্বার্থে জামালগঞ্জ-সাচনা বাজারের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মানের জন্য আমি সবাতর্œক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

আশা করি উন্নয়নের রুপকার আমার নেন্ত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জামালগঞ্জ-সাচনা  বাজার সেতুর নির্মানের বিষয়ে গুরুত্বের সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ সৌদি আরব দাম্মাম প্রদেশ বিএনপির সফল সভাপতি ডাঃ গাজীউর রহমানের মৃত্যুতে শোক সভা করেছে আবকিক জেলা বিএনপি।
এ উপলক্ষে গতকাল আবকিক বিএনপির সভাপতি গাজী শাহ আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন আবকিক বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ ওয়াহিদুর রহনান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত থেকে বক্তব্য রাখেন আবকিক বিএনপির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম,যুগ্ন সম্পাদক মোঃ ইয়ার হোসেন,উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল আহাদ, মোঃ কবির মিয়া, সহ সভাপতি আব্দুল মোতালিব, সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন,মাওলানা শোয়াইব আহমদ, নুরুজ্জামান, জিয়াউর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ।
বক্তাগন মরহুম গাজী সাহেবের আত্বার শান্তি কামনা ও শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন আবকিক জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মর্তুজা খাঁন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর বাড্ডায় খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশু তানহাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন। আজ সোমবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে রবিবার রাতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তানহা নামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শিপন (৩৫) নামের এ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের একটি টিম। এই সময় শিপনের বাসা থেকে রক্তমাখা তোয়ালেসহ আলামত হিসাবে জব্দ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলন আব্দুল বাতেন বলেন, তানহা তার বাবা-মার সঙ্গে ভাড়া থাকতেন বাড্ডার আদর্শনগরের মিনহাজ সাহেবের বাসায়। রবিবার পার্শ্ববর্তী আমিন সাহেবের বাসায় জাহেদা আক্তার কলি নামে নতুন ভাড়াটিয়া আসে। তানহা জাহেদা আক্তর কলিকে আন্টিকে ডাকে এবং তার বাসায় যায়। গ্রেফতার শিপনের স্ত্রীসহ উক্ত বাসার ভিন্ন একটি রুমে ভাড়া থাকে। শিপন ডাকাতি মামলায় ৫ বছর জেল খেটে আসার পর দিন মজুরের কাজ করে। তার স্ত্রী একজন গার্মেন্টসকর্মী।
রবিবার বিকাল ৫ টায় শিশু তানহা আন্টির (জাহেদা আক্তার কলি) নতুন বাসা থেকে শিপনের ঘরের সামনে দিয়ে নিজের ঘরে ফিরছিল। শিপন তখন খাবারের লোভ দেখিয়ে বাচ্চাটিকে টানদিয়ে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর  শিপন শিশু তানহাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তানহা ও শিপনের পরিহিত কাপড়সহ বিছানা রক্তাক্ত হয়ে যায়।তানহা চিৎকার করলে শিপন তার গলা চেপে হত্যার পর তানহার লাশ বাসার টয়লেটে ফেলে দেয়। পরে শিপন রক্তভেজা চাদর, তার গায়ের গেঞ্জি ও পরনের লুঙ্গি বালতিতে ভিজিয়ে রাখে।
উল্লেখ্য, রবিবার রাজধানীর আদর্শনগরের সন্ধ্যায় বাড্ডার আদর্শনগরী এলাকার ৩৬০ নম্বর বাসা থেকে একটি টিনসেড বাসা থেকে বাথরুম থেকে তানহা (৪) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তানহা জামালপুর জেলার প্রাইভেটকার চালক মেহেদীর মেয়ে। ওই বাসাতেই ভাড়া থাকতেন শিশু তানহার পরিবার।সুত্রঃইত্তেফাক।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই বিভিন্ন হাট বাজারে দেশী প্রজাতির ছোট জাতের মাছ ধরার গ্রাম বাংলার সহজ লভ্য প্রাচীনতম উপকরণ বাঁশের তৈরি চাঁই বা খলশানি বিক্রির ধুম পড়েছে। উপজেলার হাটবাজারগুলোতে প্রতিদিন শত শত খলশানি বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায় হাট গুলোতে প্রতিদিন শত শত খলশানি বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহি আহসানগঞ্জ হাটের খলশানি পট্টিতে বেচা কেনার জন্য জনসাধারণের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
তথ্যঅনুসন্ধানে জানাযায়, উপজেলার সিংসাড়া সহ পাশের উপজেলার নিজামপুর, ঝিনা, খট্টেশ্বর, কৃষ্ণপুর-মালি সহ বিভিন্ন গ্রামের ঋষি সম্প্রদায়ের লোকেরা তাদের স্ত্রী, পূত্র, কন্যাসহ পরিবারের সকল সদস্যরা মিলে এই অবসর মৌসুমে তাদের নিপুণ হাতের তৈরি করে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে উপজেলার আহসানগঞ্জ, কাশিয়াবাড়ি, সুটকিগাছা, পাইকরা, বজ্রপুর, বান্ধাইখাড়া, মির্জাপুর-ভবানিপুরসহ বিভিন্ন হাটে বিক্রির জন্য পসরা সাজিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
বাঁশ কটের সুতা এবং তাল গাছের আঁশ দিয়ে তৈরি এসব খলসানি মানের দিক দিয়ে ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অ ল ভেদে বিশেষ করে হাওর অ লে মাছ শিকারীরা এসব হাট-বাজার থেকে পাইকারি মূল্যে তা নিয়ে যায়। ফলে এ পেশায় জড়িত পরিবারগুলো বর্ষা মৌসুমে এর কদর বেশিও যথাযথ মূল্য পাওয়ায় মাত্র দুই তিন মাসেই খলসানি বিক্রি করেই তারা প্রায় বছরের খোরাক ঘরে তুলে নেয়।
লাভ খুব বেশি না হলেও বর্ষা মৌসুমে এর চাহিদা থাকায় রাত দিন পরিশ্রমের মাধ্যমে খলশানি তৈরি করে তারা বেজাই খুশি। এক দিকে যেমন সময় কাটে অন্য দিকে লাভের আশায় বাড়ির সকল সদস্যরা মিলে খলশানি তৈরি কাজ করে অভাব অনঠনের কবল থেকে একটু সুখের নিশ্বাস ফেলে।
এসব খলশানি তৈরিতে প্রকার ভেদে খরচ হয় ৭০ থেকে ২শত টাকা, বিক্রি হয় ১০০ থেকে ৩ শত টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এতে করে খুব বেশি লাভ না হলেও পৈত্রিক এ পেশা ছাড়তে তারা নারাজ। আধুনিকতার উৎকর্ষের তৈরি ছোট জাতের মাছ ধরার সুতি , ভাদায় ও কারেন্ট জালের দাপটের কারণে দেশি প্রযুক্তির বাঁশের তৈরি খলসানি সামগ্রী এমনিতেই টিকে থাকতে পারছে না।
কিন্তু জীবনের তাগিদে তারা একেবারে কর্মহীন থাকতেও চায় না। তবে সরকারি বেসরকারী পৃষ্টপোষকতা ও সহযোগীতা পেলে মৌসুমের আগে বেশি পরিমান খলশানি মজুত করতে পারলে ভরা মৌসুমে বেশি দামে বিক্রি হলে লাভ ভালো হয়। উপজেলার একাধিক খলশান বিক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, খলসানি তৈরির সামগ্রীর দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তাই আগের মতো আর লাভ হয় না। দীর্ঘ দিন থেকে এ ব্যবসায় জড়িত তাই ছাড়তেও পাড়ছি না। তারা আরও জানান, বর্ষা এবার আগাম শুরু হওয়ায় খলসানির কদরও বেড়েছে। হাট বাজারগুলোতে খলশানি বিক্রির ধুম পড়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কলেজ রোডস্থ ময়লার ডিপোতে ময়লা ফেলা বন্ধ করে সেখানে আন্দোলন করছে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীসহ, অভিভাবকবৃন্দ ও স্থানীয় সচেতন নাগরিক।

আজ (সোমবার) সকালে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের হাজারও ছাত্রছাত্রী সারিবদ্ধভাবে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এতদিন আমাদের দাবি জানিয়ে আসছি।প্রশাসন আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছিলেন অধিগ্রহণ করা জমিতেই পৌরসভার ময়লা আবর্জনা ফেলবেন এবং এখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করবেন কিন্তু প্রশাসনের বেধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করলে ও প্রশাসন ময়লা ফেলা বন্ধ করেনি। তাই আমরা নিজেরা বন্ধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। তাদের সবার একটাই কথা আমরা কলেজে আসলে ক্লাস করতে পারিনা ময়লার আবর্জনার দুর্গন্ধে।আর কলেজ থেকে বাড়ী যেতে না যেতেই আমরা অসুস্ত হয়ে পরি।

আন্দোলনকারীরা জানান, গত ২৬ জুলাই শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে এক মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম ৩০ জুলাই রবিবার পর্যন্ত সময় নিয়েছিলেন। গতকালও সেখানে পৌরসভার ময়লা ফেলা হয়।আজ সোমবার সকালে কলেজ,স্কুল,মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ময়লা ফেলার জায়গায় মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনার সাইনবোর্ড লাগিয়ে বাঁশের বেড় দিয়ে ময়লা ফেলার রোড বন্ধ করে দেয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,চুনারুঘাট প্রতিনিধি:   মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটিতে সৈয়দ ইদ্রিছ আলীসহ ১২০জন দ্বিধাবিভুক্তির তালিকায় রয়েছেন। তাদের দৌঁড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। গত ১৭ জুলাই চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে চুনারুঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই সমাপ্ত হয়।

সঠিক মুক্তি যোদ্ধা সনাক্তকরনে স্থানীয় লিখিত অভিযোগের ফলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজাম মুনিরা স্বাক্ষরিত যাচাই বাছাই কালে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের লাদিয়া গ্রামের মৃত সৈয়দ মুসলিম মিয়ার ছেলে ইদ্রিছ আলীসহ ১২০ জন কে তাদের সম্পূর্ণ কাগজপত্র অনুসন্ধান করে দ্বিধাবিভুক্তির তালিকায় রাখা হয়।

ফলে দ্বিধাবিভুক্তির তালিকায় তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের দৌঁড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

অপরদিকে দ্বিধাবিভুক্তির তালিকায় ধারণকৃত মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিছ আলী বিগত কয়েক বছর পূর্বে মুক্তিযোদ্ধার নাম ভাঙিয়ে তার ছেলে ও মেয়েকে মুক্তিযোদ্ধা কৌটায় নাম লিখিয়ে সরকারী চাকুরী গ্রহণ করার অভিযোগ রয়েছে। এরই জের ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে এলাকায়। মহান মুক্তিযোদ্ধ ও দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তি যোদ্ধাদের  প্রতি  আমাদের পুর্ন ভালবাসা ও সম্মান রাখতে হবে এই ভালোবাসার মধ্যে যেন দুর্বলতা তৈরি না করতে পারে কোন কাজে এ জন্যে সঠিক মুক্তি যোদ্ধা সনাক্ত জরুরী বলে দেশ প্রেমিক স্থানিয়দের দাবী।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জুলাই,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: প্রায়াত সমাজকল্যান মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলীর চাচাত ভাই ছাত্রলীগ কর্মী সৈয়দ সাইদুর রহমান (১৯) নারিকেল গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের নিজ বাড়ি দর্জির মহল এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।  সৈয়দ সাইদুর রহমান দর্জির মহল এলাকার মৃত জাহাঙ্গির আলীর ছেলে।

সৈয়দ সাইদুর রহমান এর চাচাত ভাই শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সলমান আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,সন্ধ্যায় বাড়ির নারিকেল গাছে নারিকেল পাড়তে উঠলে হঠাৎ গাছ থেকে পড়ে যায়। পড়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট এম এ জি ওসমানি হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,মোহাম্মদ জুমান হোসেন সিডনিঃ গতকাল মধ্যরাতে সিডনির সারিহিলস, ওয়ালীপার্ক, পান্চবোল এবং ল্যাকেম্বা সাবার্বের স্প্রাউল স্ট্রিটে ফেডারেল পুলিশের বিশাল তল্লাশি অভিযান চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ৪০টি রায়ট স্কোয়াড সাবার্বগুলিতে পাঠানো হয়েছে।

মার্সকোর্ট নামের এক ভবন থেকে বোমা তৈরির পরিকল্পনায় জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে দু’জনকে। এ ভবনের ইউনিটে বাংলাদেশী পরিবারের বসবাস আছে বলেও জানা গেছে। তবে এতে কোন বাংলাদেশী নাগরিক সন্দেহভাজন আছে কিনা তা এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ গতরাতে সফল ভাবে তাদের অভিযান সন্পন্ন করেছে। সন্ত্রাসবাদবিরোধী কৌশল প্রণয়ন করে গোয়েন্দা তৎপরতা ও পুলিশি কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য আপাদত সবকিছু প্রকাশ করছেন না। সাঁড়াশি এ অভিযানে যেন সফলতা আসে এটাই পুলিশ দল ধারণা করছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ বগুড়ায় কলেজে ভর্তির ছলনায় ধর্ষন করে পরবর্তিতে অভিযোগ প্রকাশ করার কারনে এক ছাত্রী ও তার মাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত তুফান সরকারসহ তিনজনকে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার বিকেলে বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ আদালতে আসামিদের হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন জানান।
আসামিরা হলেন- বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) তুফান সরকার, সহযোগী আলী আজম দিপু ও রুপম হোসেন। আদালতের বিচারক শ্যাম সুন্দর শুনানি গ্রহণ শেষে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।
এ ঘটনায় এপর্যন্ত গ্রেফতারকৃত মোট  চারজনের মধ্যে আসামি আতিকুর রহমান ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়। তাই তাকে বাদ দিয়ে বাকি তিনজনকে রিমান্ডে নিল পুলিশ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,শ্রীমঙ্গল  প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গত চারদিনে বিশেষ অভিযানে মাদক, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এছাড়াও রোববার সকালে শহরের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকায় মাদক ও অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার্স ইনর্চাজ মোঃ কে এম নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক ব্যাক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের ক্যাথলিক মিশন রোডস্থ সুমন সেন এর বাসায় চুরির অভিযোগে লাভলু সর্দার নামের একজনকে আটক করা হয়।লাভলু সর্দার ক্যাথলিক মিশন রোডের নাইট গার্ড ছিল। তার বাড়ী মাদারীপুর জেলায় এবং সে বর্তমানে শ্রীমঙ্গরে ক্যাথলিক মিশন রোড এলাকায় বসবাস করতো।

একই দিন মধ্যে রাতে এস আই অনিক বড়ুয়া, এএসআই আ: মতিন সংঙ্গীয় ফোর্স সহ শহরের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকা থেকে শ্রীমঙ্গল শহর এলাকার বিভিন্ন চুরির  অভিযোগে রুবেল মিয়া আটক করা হয়। আটককৃত রুবেল শ্রীমঙ্গর শহরের সোনার বালা রোড এলাকার জমসেত মিয়া পুত্র। পুলিশ জানায়, তাহার বিরুদ্ধে ৪ টি চুরির মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে।

একই দিন শ্রীমঙ্গল থানার এস আই মো: রফিকুল ইসলাম, এস আই অনিক বড়ুয়া সংগীয় ফোর্সসহ রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার সিন্দুরখান এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে কামারগাঁও এলাকা হইতে ১২ পিস ইয়াবাসহ সামসুজ্জামান রুবেল নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। সে ওই এলাকার মৃত এলাইছ মিয়ার পুত্র।

একই দিনের রাত সাড়ে ৯টায় শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ,এস আই ফজলে রাব্বী, এ এস আই মুকুন্দ দেব বর্মা ও সংগীয় ফোর্সসহ উত্তর উত্তর সুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান করে উ: উ: সুর এলাকা থেকে ৮ পিস ইয়াবাসহ ইয়াবা বিক্রেতা কাতান মিয়া আটক করা হয়। আটককৃত ইয়াবা বিক্রেতা কাতান মিয়া ওই এলাকার মৃত রহমত মিয়ার পুত্র।

অপরদিকে বুধবার রাত পৌনে ১০ টায়  শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের আরামবাগ আবাসিক এলাকার গলির ভিতর অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনকারী সাতজনকে আটক করা হয়।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার্স ইনর্চাজ মোঃ কে এম নজরুল ইসলাম জানান, মাদক ও অসামাজিক কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। এব্যাপারে তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার সর্ব সাধারণের সকল প্রকার সহযোগীতা কামনা করেন।

মৌলভীবাজারের গ্রাহকরা বিটিসিএল’র ইন্টারনেট সেবাতে অতিষ্ঠ 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,জহিরুল ইসলামঃ বিটিসিএল-একমাত্র সরকারী আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) প্রতিষ্ঠান।এই প্রতিষ্ঠানের কাজ হলো বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সধারী আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) কে বাল্ক ইন্টারনেট প্রোভাইড করা। বিটিসিএল একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান হলেও বেসরকারী আরও বেশ কয়েকটি আইআইজি রয়েছে। তবে যেখানে বিটিসিএল এর টেলিফোন এক্সচেঞ্জ আছে সেখান থেকেই বিটিসিএল এর আই্‌আইজি থেকে আইএসপিগুলো ইন্টারনেট সংযোগ নিতে পারে।
উপজেলা,জেলা পর্যায়ে বা মফস্বল শহরে বেসরকারী আইআইজি এর সংযোগ না থাকাতে বিটিসিএল এর ইন্টারনেটই একমাত্র ভরসা। আর বেসরকারী আইআইজি থেকে মফস্বল শহরের আইএসপিগুলো যদি ইন্টারনেট কিনতেও চায় তাহলে সরকার নির্ধারিত দামের দ্বিগুনেরও বেশি দামে বাল্ক ইন্টারনেট কিনতে হয়।
শুধুমাত্র চলিত জুলাই মাসের ইন্টারনেট ক্ষেত্রে বিটিসিএলের সেবার নমুনা তুলে ধরা হলো-তারিখ- ০৯.০৭.১৭ ডাউন রাত ৯.০০ টায়,আপ-রাত ১১.৩০ মিনিট,তারিখ-১০.০৭.১৭ ডাউন রাত ৭.০০ টায়,আপ-রাত ১০.৩০মিনিট,তারিখ-১৬.০৭.১৭ ডাউন রাত ২.১৫ টায়,আপ- দুপুর ১.১৫ মিনিট,তারিখ-১৯.০৭.১৭ বিকেল৩.০০টা থেকে সারাদিনই আসা যাওয়া করে।তারিখ- ২৪.০৭.১৭ ভোর থেকে ২৫.০৭.১৭ই ,সর্বশেষ গত ২৯.০৭.১৭ ইং ভোর থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ থাকে। বন্ধ থাকার কারণে ধীর গতির (প্রায় ২৫% প্যাকেট লস) ইন্টারনেট পাওয়ার ।
এই যদি হয় বিটিসিএল’র সেবার মান তাহলে কিভাবে গ্রাহকরা বিটিসিএল’র ইন্টারনেট ব্যবহার করবে।এতে করে গ্রাহকরা বিটিসিএল’র ইন্টারনেট লাইন ব্যবহার করা থেকে সরে যাচ্ছে। লোকসান গুল হচ্ছে বিটিসিএল ও প্রোভাইডার গুলো। ফলে মোবাইল কোম্পানীর মডেম ব্যবহারের দিকে জোঁকছে গ্রাহকরা।তাই সরকারের উচ্চপর্দস্থর বিটিসিএল’র কাছে গ্রাহক ও প্রোভাইডাররা দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সমস্যা সমাধানের জন্য ।
বিটিসিএল-একমাত্র সরকারী আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) ইন্টারনেট পাওয়ার ঘন ঘন বন্ধের কারনে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা।
শ্রীমঙ্গল ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এস. আহমদ কম্পিউটার্স এন্ড প্রিন্টার্স’র মালিক সেলিম আহমেদ জানান,প্রতিদিন আমি বিটিসিএল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোনে অভিযোগ জানাই ও ইমেইলেও অভিযোগ জানাই। কিন্তু কখনই ফোনে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পাওয়া যায় না, ইমেইলেরও কোন জবাব পাওয়া যায় না। উচ্চ পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা বা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে সুনির্দিষ্ট কারণ জানারও কোন সুযোগ নেই। নামে মাত্র একটি সাপোর্ট (০২-৮৩৩২২০০) নাম্বার থেকে শুধু এটুকুই জানানো হয়“সিলেট লাইনে সমস্যা আছে”। জনশ্রুতি আছে যে বেসরকারী আই আইজি প্রতিষ্ঠানের বাল্ক ইন্টারনেট যাতে আইএসপি গুলো কিনতে বাধ্য হয় সে কারণে বিটিসিএল ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেট লাইনে সমস্যা সৃষ্টি করে। আর এ কারণেই অধিকাংশ বড় আইএসপি বিটিসিএল এর ইন্টারনেটের পাশাপাশি বেসরকারী আইআইজি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ইন্টারনেট কিনছে।
আমরা যেহেতু লাষ্ট মাইল পর্যায়ের অপারেটর তাই আমাদের জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়। অর্থাৎ ইন্টারনেটের কোন ধরণের সমস্যার কারণে ব্যবহারকারী আমাদেরই দোষ দেখে এবং আমাদেরই জবাব দিতে হয়। যদিও এর কোন দায় আমাদের নেই।বিটিসিএল এর এই খামখেয়ালীপনার জন্য গ্রাহকরা আমাদের ঠিকমত মাসিক বিল প্রদান করেন না। প্রতি মাসে কয়েক হাজার করে টাকা আমাদের অনাদায়ী থেকে যায় যা আর কোনদিন তোলা সম্ভবপর হবে না। এমনকি কোন কোন গ্রাহকদের সাথে অনাকাঙ্খিত বাকবিতন্ডা ঘটে।
মাসিক ইন্টারনেট চার্জ হিসেবে ইন্টারনেট সংযোগ প্রোভাইডারগুলো প্রতিমাসেই বিটিসিএলকে মোটা অংকের টাকা গুণতে হয়। প্রতি মাসেই ঘন ঘন বিটিসিএল এর ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও সে বাবদ টাকা বিল থেকে কমানোর কোন সুযোগই নেই অথচ গ্রাহকদের কাছ থেকে আমরা টাকা আদায় করতে পারি না।
বিটিসিএল এর সেবার মান সন্তোষজনক থাকলেও বিগত কয়েক মাসে বিটিসিএল এর ইন্টারনেট সেবার মান পড়ে যাওয়াতে সেবার মানও আজকে প্রশ্ন্রে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা শুধু মৌলভীবাজার জেলাতে নয়। খবর নিয়ে জানা যায় বৃহত্তর সিলেট বিভাগে বিটিসিএল-সরকারী আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) প্রতিষ্ঠানের সমস্যা দিচ্ছে ।
এ ব্যাপারে ঢাকাস্থ বিটিসিএল’র সাপোর্ট সহকারী প্রকৌশলী মেহেদি হাসানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে এই প্রতিবেদক কে তিনি জানান, গত সপ্তাহে নেটে সমস্যা ছিল বর্তমানের কোন সমস্যা নাই। আমরা খোঁজে খোঁজে সমস্যা গুলো বের করে সমাধানের চেষ্টা করছি।কি কারনে সমস্যা হচ্ছে আমি তা সঠিকভাবে জানি না।গ্রাহকদের ভোগান্তির স্বীকারের কথা বললে তিনি বলেন, আমার কিছুই করার নাই। নেট আপ ডাউনের ব্যাপারে প্রোভাইড সেন্টারে সমস্যাও থাকতে পারে ।

শ্রীমঙ্গল শহরের একজন ব্যবসায়ী জানান,আমি বিটিসিএল ব্রডভ্যান্ডর ইন্টারনেট ব্যবহার করি। ঘন ঘন লাইন আপ ডাউন করে এই যদি হয় বিটিসিএল’র ইন্টারনেট সেবার নমুনা তাহলে সরকারের ডিজিটাললাইজ তাহলে চলমান কার্যক্রম ব্যাহত হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে সড়ক দূর্ঘটনায় দশম শ্রেনীর ছাত্র মাহামুদুল হাসান শাওন (১৮) এবং শ্যামলী বিশ্বাস (৭৫) নামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নড়াইল পৌর এলাকার ভাদুলীডাঙ্গা চৌরাস্তার পার্শ্বে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক যুবক নড়াইলের মুলিয়া থেকে মোটর সাইকেলে নড়াইল শহরে আসার পথে নড়াইল-মুলিয়া সড়কের ভাদুলীডাঙ্গা চৌরাস্তায় পৌঁছালে সড়ক পার হওয়ার সময় পৌরসভার ভাদুলীডাঙ্গা এলাকার বনমালী বিশ্বাসের স্ত্রী শ্যামলী বিশ্বাস (৭৫) কে ধাক্কা দেয়।

এ সময় মোটর সাইকেল চালক সদর উপজেলার বাঁশভিটা গ্রামের সোহেল ফারহানের পুত্র মাহামুদুল হাসান শাওন (১৮) নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হয়। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেন। সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সহোদরসহ ছয় বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দাম্মাম ও রিয়াদের মাঝে আলজুব আরা শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) সারওয়ার আলম  জানান, দুর্ঘটনার সময় নিহতরা একটি প্রাইভেটকারে চেপে দাম্মাম থেকে রিয়াদ যাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সারওয়ার আলম জানান, দাম্মাম থেকে রিয়াদ যাওয়ার পথে অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগলে গাড়িতে থাকা দুই বাংলাদেশি ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর চারজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁদের মৃত্যু হয়। নিহতরা সবাই নির্মাণশ্রমিক ছিলেন।
নিহতদের মধ্যে চারজনের বাড়ি রাজবাড়ী ও বাকি দুজনের ফরিদপুর জেলায় বলে জানিয়েছেন সারওয়ার আলম।
রাজবাড়ীর চারজনের মধ্যে দুই সহোদর ইরশাদ ব্যাপারী (২৮) ও হুমায়ুন ব্যাপারী (২৫) গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দরাপের ডাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় একই উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ উজানচর নাছির মাতব্বরপাড়ার কুব্বাত খান (২৫) ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আনসার মাঝিপাড়ার মিরাজ মণ্ডল (২২) রয়েছেন।
আর ফরিদপুরের দুই নিহতের বাড়ি ছিল সদর উপজেলায়। এদের একজন নাথচ্যানেল ইউনিয়নের বাসিন্দা ইদ্রিস দেওয়ান (৩২)। অপরজন হাজীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা বলে জানালেও তাঁর নাম জানাতে পারেনি দূতাবাস।
এদিকে সৌদি আরবে উপস্থিত নিহত ইরশাদ ও হুমায়ুনের বড় ভাই মঞ্জু ব্যাপারী জানান, তাঁরা তিন ভাই এক বোন। শুক্রবার সকালে দুই ভাইয়ের নিহতের খবর পেয়েছেন তিনি। দুই সহোদরের মৃত্যুতে আহাজারি করছিলেন তিনি। বলছিলেন, দেশে এক বোন ছাড়া তাঁর আর কেউ রইল না।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জুলাই,মুহাম্মদ ফয়সাল শরীফ,চট্টগ্রামঃ ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদকে অবরুদ্ধ করার প্রতিবাদে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার উদ্যোগে ২৯ জুলাই বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি ছাত্রনেতা হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য সচিব ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মাওলানা মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ। উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকী। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ। মুহাম্মদ ইলিয়াছ রেজার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে মুসলমানদের প্রাণকেন্দ্র আল আকসা মসজিদ অবরুদ্ধ করে রাখার দায়ে বর্বর রাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের আহ্বান জানান।

বক্তারা আরো বলেন, মুসলমানদের পীঠস্থান ও মর্যাদাময় কেন্দ্র হচ্ছে মসজিদুল আকসা। হাজার হাজার বছর ধরে এই মসজিদ মুসলমানদের পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। অথচ সন্ত্রাসবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েল জন্মলগ্ন থেকেই ফিলিস্তিনিদেরেেক নিজেদের ভূমিতে অবরুদ্ধ করে রেখেছে।হাজার হাজার নিরপরাধ নিরস্ত্র নিরীহ ফিলিস্তিনি মুসলমানদের হত্যা করে আসছে ইসরায়েল।অথচ জাতিসংঘসহ বিশ্ব সংস্থাগুলো লোক দেখানো প্রতিবাদ ছাড়া ফিলিস্তিনিদের জন্য কিছুই করছে না। ফিলিস্তিনিদের ও ওআইসিকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে বক্তারা আহ্বান জানান।

মানববন্ধন ও সমাবেশে অতিথি ও আলোচক ছিলেন উত্তর জেলা যুবসেনার সভাপতি যুবনেতা মাস্টার মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ জাবের, উত্তর জেলা ছাত্রসেনার সহ সভাপতি মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কে এম আজাদ রানা, মুহাম্মদ আলী আকবর, হাফেজ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী, মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন কাদেরী, সৈয়দ মুহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, মুহাম্মদ শফিউল আলম, মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, মুহাম্মদ জাহেদ, মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন, নূর মুহাম্মদ প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব চত্বর হতে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।