Saturday 26th of September 2020 05:29:22 PM
Thursday 2nd of January 2014 02:18:14 PM

৪মাস পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি করতে পারে সরকার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
৪মাস পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি করতে পারে সরকার!

আমারসিলেট24ডটকম,০২জানুয়ারীঃ  আসন্ন আগামী ৫জানুয়ারীর একতরফা নির্বাচনের পর বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও কূটনীতি দু’দিক থেকেই পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকা। এ অবস্থায় জামায়াতকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিতে হাসিনা সরকার প্রয়োজনে জরুরি আইন জারি করতে পারে বলেও সন্দেহ পোষণ করেছেন পত্রিকাটি।

আজ বৃহস্পতিবার পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হলে বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে চার মাস পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি করতে পারে সরকার। সেক্ষেত্রে একদিকে নির্বিঘ্নে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আবেগকে জাগিয়ে তোলা সম্ভব হবে। অন্যদিকে বিরোধীদের লাগাতার হরতাল-অবরোধ বন্ধ হওয়ায় জনজীবন স্বাভাবিক হবে। মানুষও স্বস্তি পাবেন। পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষেও বাংলাদেশ-বিরোধী অবস্থান নেওয়া সহজ হবে না। কিন্তু ঢাকা এ কথা মনে করলেও এই পরিস্থিতি যে দীর্ঘদিন চলতে পারে না, সে কথাই বলা হয় প্রতিবেদনে।  নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত বিএনপি অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে গোটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা একপেশে হয়েছে। ১৫৩টি আসনে ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গেছে একজন করে প্রার্থী। এর মধ্যে ১৩২ জনই শাসকদল আওয়ামী লীগের। বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়া “কার্যত গৃহবন্দি” বলে দাবি করেছে বিএনপি। বিএনপির অনেক নেতাই জেলে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে পশ্চিমা দুনিয়া। তাই এই দফায় সরকার গড়লেও খুব দ্রুত দেশে রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমে আরো একটি সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ ঢাকাকে দিচ্ছে নয়াদিল্লি। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার জন্য ৫ তারিখের আগেই ভারতের কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে ঢাকায় পাঠানোর কথা ভাবছে নয়াদিল্লি।  সব মিলিয়ে তাই একদিকে যেমন সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কোমর বাঁধা হচ্ছে, শরণার্থীদের প্রশ্নে কিছুটা মানবিকতার পথেই হাঁটার কথা ভাবা হচ্ছে, অন্যদিকে কূটনৈতিক স্তরে হাসিনা সরকারকেও বোঝানো হচ্ছে, পরিস্থিতির রাশ ধরার জন্য সংবেদনশীল পদক্ষেপ করতে হবে। কেন না বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্তের ভাগীদার ভারতের পক্ষেও অবস্থাটা আদৌ অনুকূল নয়।

বিষয়টির নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক দু’রকম দিকই রয়েছে বলে মনে করছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (বিদেশ মন্ত্রক)। সীমান্ত সিল করে দেওয়া অথবা শরণার্থীদের জন্য ব্যবস্থা করা আপতকালীন তৎপরতা হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদিভাবে এই চাপের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়াটা নয়াদিল্লির কাছে যেমন সহজ নয়, তেমন কাম্যও নয়।  পূর্ব উপকূলকে কাজে লাগিয়ে ভারতে জঙ্গি পাচার করার জন্য মুখিয়ে রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সুতরাং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদিভাবে জঙ্গিপনার দিকে হাঁটুক, এটা কিছুতেই চায় না সাউথ ব্লক। আর তাই আমেরিকার সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় বিদেশসচিব সুজাতা সিংহ জানিয়েছেন, জামায়াতে ইসলামীকে কোনোভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই জামায়াতকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা প্রয়োজন বলে তাদের দাবী।আনন্দবাজার,


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc