সংখ্যালঘু নিপীড়নকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সাংবাদিক মঞ্চ

    0
    4
    সংখ্যালঘু নিপীড়নকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সাংবাদিক মঞ্চ
    সংখ্যালঘু নিপীড়নকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সাংবাদিক মঞ্চ

    ঢাকা : সংখ্যালঘু নিপীড়নকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সাংবাদিক মঞ্চ। আজ মঙ্গলবার সকালে সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতারা এসব দাবি জানান।
    একই সঙ্গে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে অপরাধীদের সনাক্ত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
    এ ছাড়া সমাবেশ থেকে আগামী ২৬ এপ্রিল সারাদেশের মন্দিরে কালো পতাকা উত্তোলন ও ৩ মে ঢাকায় কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে গণঅবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ কর্মসূচি সফল করতে বক্তারা সকলের প্রতি আহবান জানান। সমাবেশ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর ৯ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করে।
    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর যুগ্মসম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুজন,  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সিপিবি নেতা সেকেন্দার হায়াত, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, জনকন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি তপন বিশ্বাস, সিনিয়র রিপোর্টার ফিরোজ মান্না, রাজন ভট্টাচার্য, রশীদ মামুন প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম সবুজ, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহসভাপতি এম এ করিম, যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রিয় নেতা পুষ্পেন রায় প্রমুখ।

    সমাবেশ শেষে সাত সদস্য’র একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে গিয়ে ৯ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত না থাকায় তাঁর পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রবিউল আলম।
    দাবিগুলো হচ্ছে

    . গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন।
    . সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয়সংখ্যক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন।
    . ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অবিলম্বে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রুত বিচার কাজ শুরু।
    . সংখ্যালঘু নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি রোধে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীসহ রাষ্ট্রের সকল ধর্মের নাগরিক ও তাদের ধর্মীয় স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
    . সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা।
    . বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ঠেকাতে আইন করে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্নকরণ।
    . সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ও তাদের ধর্মীয় স্থাপনায় হামলাসহ সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি দেওয়ানী মামলা দায়ের করে সম্ভাব্য স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ আদায়।
    . নিহত ও আহত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান।
    . ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো পুনর্নির্মানে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে হবে।

     

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here