শ্রীমঙ্গলে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অপরাধে আটক-১

0
81
শ্রীমঙ্গলে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অপরাধে আটক-১
শ্রীমঙ্গলে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অপরাধে আটক রমণ প্রধান।

“আমি টাকা নেব না আমি টাকা নিলে মানুষ আমাকে বলবে আমি দেহ বিক্রি করেছি। আমি এর বিচার চাই প্রয়োজনে আমি তাকে বিচার শেষে মুক্ত করে আনবো।“ ধর্ষিতার দাবী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৭ নং রাজঘাট ইউনিয়নের উদনাছড়া এলাকায় এক শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী যুবতীকে (২৫)পূজা শেষে আসার পথে ধর্ষণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় এক সন্তানের পিতা রমন প্রধান (৩০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।
ধৃত রমন প্রধান উদনাছড়া ৮ নং বস্তির মৃত সুদর্শন প্রধানের ছেলে।
পুলিশের সুত্রে জানা যায়,থানায় অভিযোগ নিয়ে আসার সাথে সাথে এস আই সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি টিম বুধবার ৬ এপ্রিল বিকালে তাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

জানা যায়,ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী মেয়েটিও থানা হেফাজতে রয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য একই দিন বৃহস্পতিবারে ৭ এপ্রিল সকালে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পাঠানো হবে।
মেয়েটির বড় ভাই (নাম গোপনীয়) জানান, রোববার দিবাগত মধ্য রাতের দিকে (৪ এপ্রিল) তার বোন এলাকায় মণ্ডপে পূজা শেষে বাড়িতে ফিরছিল। এসময় পাশের বাড়ির রমন প্রধান মদ খেয়ে মাতাল হয়ে তাকে (প্রতিবন্ধী যুবতিকে) সেখান থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে নির্জন স্থানে ধর্ষন করে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্ঠা করা হয়। কিন্তু ধর্ষিতা বিষয়টি মানতে নারাজ সে বলে যদি আমার পেটে বাচ্চা এসে যায় তখন কে আমার বাচ্চার বাবা হবে।
এদিকে ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী যুবতীর সাথে আমার সিলেট প্রতিনিধির কথা হলে তিনি বলেন, “আমি টাকা নেব না আমি টাকা নিলে মানুষ আমাকে বলবে আমি দেহ বিক্রি করেছি। আমি এর বিচার চাই প্রয়োজনে আমি তাকে বিচার শেষে মুক্ত করে আনবো।“
অপরদিকে ধর্ষক রমণ অকপটে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমাদের পূজা ছিল ওইদিন আমি হারিয়া (এক প্রকারের স্থানীয় মদ) খেয়ে ছিলাম, মাথা ঠিক ছিল না, বুঝতে পারিনি।“ এই অপরাধের শাস্তি কি তোমার জানা আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে সে বলে “প্রয়োজনে তাকে বিয়ে করবো আমি তো গরিব মানুষ আর কি করবো।“
মামলার আইও এস আই সাইফুল ইসলাম আমার সিলেটকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অফিসার ইনচার্জ শামীম অর রশীদ তালুকদার (ওসি) স্যারের নির্দেশে ও তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন স্যারের সহযোগিতায় পুলিশের একটি টিমসহ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসি বর্তমানে সে থানায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।আজ রাতেই মামলা রেকর্ড হয়েছে মামলা নং-৮ তারিখ-৭ এপ্রিল ২০২২।মামলার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here