শ্রীমঙ্গলে কালভার্টের সাথে এক বছরেও নেই সড়ক যোগাযোগ

    0
    7

    নূর মোহাম্মদ সাগর,শ্রীমঙ্গল, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে কালভার্ট। তবে কালভার্ট নির্মাণের এক বছরেও তৈরি হয়নি কালভার্টের দুইপাশের সড়ক যোগাযোগ রাস্তা। এতে কালভার্টের সুবিধা পাছেন গ্রামের কয়েক শত মানুষ। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশীদ্রোন খোশবাস গ্রামে গিয়ে এমনটাই দেখা যায়।
    রাস্তা না থাকায় কালভার্টটি এখন এলাকাবাসীর কাছে মরার ওপর খরার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খোশবাস গ্রামের মধ্য দিয়ে মধ্যপাড়া নামে গ্রামীয় কাঁচা রাস্তাটি আশীদ্রোন-শ্রীমঙ্গল পাঁকা রাস্তাটির সাথে মিলিত হয়। কাঁচা রাস্তার মধ্য খানে খালের উপরে নির্মাণ করা হয় কালভার্ট। কিন্তু‘ এক বছরেও হয়নি যোগাযোগ ব্যবস্থা।
    এলাকাবাসী জানান, উপজেলার আশীদ্রোন খোশবাস গ্রামে কয়েকশত মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। তাহাদের প্রাণের দাবি ছিল এই কালভাট নির্মাণ। কালভার্ট নির্মাণের সেই দাবি পূরণ হলেও পারাপারের সংযোগ সড়ক না থাকায় কালভার্টটি তাহাদের কোনো কাজেই আসছে না। তাই তাহাদের দীর্ঘদিনের দাবি কালভার্টটির দুই পাশ্বে মাটি ভরাট করে তাহাদের চলাচলে ব্যবস্থা করে দেওয়া।
    উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এডিবি বরাদ্ধ ছিল কালভার্টটি। ইষ্টিমিট ছিল এক লক্ষ টাকা, অনলাইনে ৫% লেস দিয়ে ৯৫,০০০/-টাকায় কাজ পান মের্সাস অটো গ্যালারী নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় এক বছর পর ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৩০জুন নির্মাণের কাজ শেষ করে প্রতিষ্ঠানটি। নির্মাণের পর দুই পাশে সংযোগ মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাটি ভরাটের কাজ শেষ করেনি।
    আশীদ্রোন গ্রামের মো. অজুদ মিয়া বলেন, আমাদের বহুদিনের আশা ছিল কালভার্টটি কিš‘ কালভার্ট হল আমাদের চলাচল করা সম্ভব নয়।
    একই গ্রামের আজিজ মিয়া বলেন, আমাদের এলাকার প্রধান রাস্তা হল এটি। এই রাস্তা দিয়ে আমরা চলাচল করি। আগে আমরা খালের উপর বাঁশ দিয়ে চলাচল করতাম। এখন কালভার্ট হয়েছে। কিন্ত চলাচল করতে পারছিনা। আমাদের দাবী কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট করে চলাচল করার ব্যবস্থা করে দিতে।
    শ্রীমঙ্গল উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, কালভার্টটির ইষ্টিমিট ছিল এক লক্ষ টাকা, অনলাইনে ৫% লেস দিয়ে  ৯৫,০০০/-টাকায় কাজ পান মের্সাস অটো গ্যালারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরে ভ্যাট টেক্স দিয়ে ৭৫ বা ৭৬ হাজার টাকা টিকে। টাকার বাজেট কম থাকায় কাজটি সর্ম্পূন করা হয়নি। এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে কাজটি সর্ম্পূন করার চেষ্টা চলছে।
    উপজেলার আশীদ্রোন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রনেন্দ্র প্রসাদ বর্ধন জানান, এলাকাবাসী আমাকে বললে আমি কালভার্টটি পরিদর্শন করেছি, খুব শীঘ্রই কালভাটের দুই পাশ্বে মাটি ভরাট করে চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।