Monday 26th of October 2020 10:42:13 AM
Saturday 13th of June 2015 05:32:19 PM

শার্শায় বানিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে থাই পেয়ারা

উন্নয়ন ভাবনা, জেলা সংবাদ ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
শার্শায় বানিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে থাই পেয়ারা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩জুন,এম ওসমানঃ ‘থাই-৩’ হাইব্রিড জাতের পেয়ারায় ভরে গেছে শার্শা উপজেলার মাঠের পর মাঠ। এখন বছরের বারো মাসই পাওয়া যাবে পেয়ারা। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্ভাবন করা ওই জাতের পেয়ারা চাষ করে রায়হান উদ্দিনের মতো কৃষকদের ভাগ্য খুলে গেছে। এবার তিনি ৫০বিঘা জমিতে লাগিয়েছেন ওই জাতের পেয়ারা গাছ। ছোট ছোট পেয়ারায় ভরে গেছে গাছ। বছর শেষে সকল খরচ খরচা বাদে ২০ লাখ টাকা ঘরে আনতে পারবেন বলে আশা করছেন ওই কৃষক।

শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিঞ্জানীদের উদ্ভাবন করা ‘থাই-৩’ হাইব্রিড জাতের থাই পেয়ারা চাষ ছড়িয়ে পড়েছে যশোরের শার্শা উপজেলায়। শীত কালে পাওয়া যায় দেশি বিভিন্ন জাতের পেয়ারা। আর থাই-৩, ৫ ও ৭ জাতের পেয়ারা পাওয়া যায় বারো মাস। গাছগুলো দেখতে আকারে ছোট হলেও পেয়ারাগুলো দেশি পেয়ারার চেয়ে বেশ বড় হয়। দেখতে গোলাকার, রঙ হলুদ ও সবুজ। ওই পেয়ারার প্রতিটির ওজন ২শ’ থেকে ৫শ’ গ্রাম। প্রতি কেজি পেয়ারা বিক্রি হয় ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে বেনাপোল বাজার থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে বাহাদুরপুর বাওড়। বাওড়ের পশ্চিমে মেদের মাঠ। এই মাঠের জমিতে কখনও কৃষকরা ফসল ফলাতে পারেনি। ওই মাঠের ৩৬ বিঘা জমি দশ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে থাই জাতের পেয়ারা চাষ করে মাঠের পরিবর্তন এনেছেন পেয়ারা চাষি রায়হান উদ্দিন।

রায়হান উদ্দিন বলেন, চার বছর আগে রাজশাহী বেড়াতে গিয়ে ওখান থেকে ‘থাই ৩’ জাতের পেয়ারার চারা দেখতে পাই। সখের বশে ৪ বিঘা জমিতে চাষ করা যায় এমন সংখ্যক চারা কিনে আনি। পরে মেদের মাঠের পতিত জমিতে চারাগুলো লাগায়। তিন বছরে আমার লাভ হয়েছে ১৯ লাখ টাকা। এবার ওই মাঠের ৩৬ বিঘা জমিতে ৬ হাজার পেয়ারার চারা লাগিয়েছি। মেদের মাঠ ছাড়াও চৌগাছায় আরো ১৪ বিঘা জমিতে পেয়ারা গাছ লাগিয়েছি। চলতি বছর সকল খরচ খরচা বাদে ২০লাখ টাকা ঘরে আসবে বলে আশা করছেন এই কৃষক। “পেয়ারা ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ঝাল, বেগুন, টমেটো মূলা, কলা ও সবজ্বি বিক্রি করেও বছরে আয় হচ্ছে লাখ টাকার উপরে।”

পেয়ারা ক্ষেতের পাহারাদার ওমর আলী বলেন, ক্ষেত দেখভালের জন্য ৬ জন নিয়মিত শ্রমিক কুড়ে বেঁধে মাঠেয় থাকেন। অন্যান্য কাজের জন্য সপ্তায় দু’দিন ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক এই বাগানে কাজ করেন।

অসময়ে ফল হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে পেয়ারার। অধিক লাভের আশায় থাই পেয়ারা বেনাপোল, ধান্যখোলা, কাশিপুর, ফুলসরা ও চৌগাছার বিভিন্ন এলাকার দেড় শতাধিক বিঘা জমিতে চাষ করা হয়েছে বলে হীরক কুমার জানিয়েছেন। শার্শা উজেলার বাহাদুরপুর বাওড় সংলগ্ন মেদের মাঠে রায়হান উদ্দিনের বিস্তৃর্ণ মাঠে “পেয়ারা ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ঝাল, বেগুন, টমেটো ও কলা চাষ হচ্ছে।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc