Tuesday 27th of October 2020 06:12:46 PM
Saturday 25th of April 2015 09:53:12 PM

মৌলভীবাজারের হাকালুকি,কাউয়াদিঘি,হাইল হাওরের কাচা-পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে পানির নিছে:হতাশায় কৃষকরা  

বিশেষ খবর, বৃহত্তর সিলেট ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
মৌলভীবাজারের হাকালুকি,কাউয়াদিঘি,হাইল হাওরের কাচা-পাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে পানির নিছে:হতাশায় কৃষকরা   

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৫এপ্রিল,আলী হোসেন রাজনঃ মৌলবীবাজারে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর,পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এ তিন অফিসের সমন্বয়হীনতার যাতাকলে হাওর পারের কৃষকরা মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন । হাকালুকি,কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওরের প্রায় ৫/৬হাজার একর  জমির কাঁচা-পাকা বোরো ধান টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিতে তলিয়ে গেছে। কাশিমপুর পাম্প হাউস দিয়ে নিয়মিত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কাউয়াদিঘী হাওরে পানি জমার ফলে বোর ধান কাটতে পারছেন না কৃষকরা। এছাড়া শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে না পারায় হতাশ চাষীরা।

মৌলভীবাজার জেলার কাউয়াদিঘি,হাকালুকি ও হাইল হাওরসহ অন্যন্য এলাকায় এবার লক্ষমাত্রা ছিল ৫০হাজার ৮শত ৮৭হেক্টর আর আবাদ হয়েছে ৫১হাজার ৪শত ৮৮জমিতে। ফলন ও ভালো হয়েছিলো। কিন্তু কয়েক দিনের শিলা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে এখন আর আনন্দ নেই কৃষকদের মনে। পুরোপুরিভাবে ধান না পাকলেও নিরুপায় ও হতাশাগ্রস্থ কৃষকরা নৌকা দিয়ে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া আধা পাকা ধান কাটতে প্রাণপন চেষ্টা করছেন। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ও বিদ্যুৃৎ অফিসের সমন্বয়হীনতা আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের  অবহেলার কারনে কাশেমপুর পাম্প হাউস দিয়ে নিয়মিত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কাউয়াদিঘির পানি বাড়ছে। সংশ্লিষ্টদের এমন উদাসীনতায় বোরো মওসুমে আর্থিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন হাওর পাড়ের বোরো চাষীরা। এছাড়া বোরো চাষাবোদের  সময় হরতাল-অবরোধে তেল ও সারের দাম বেশী দিয়ে ক্রয় শেষে এখন ধান কাটার শ্রমিক সংকটে ভোগছেন তারা। বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কাউয়াদিঘির অন্তেহরী,শালকাট্টা, রুকুয়া, কুশুয়া, শেওয়াইজুড়ি,মাছুখালী, শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওর এবং হাকালুকি হাওরের নিম্মাঞ্চল এলাকার বোরো চাষীরা।

এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানান,একদিকে শীলা বৃষ্ঠিতে নষ্ঠ হয়েছে ধান অন্যদিকে পাম্প হাউস বন্ধ থাকায় পানি বাড়ার আতঙ্কে কাচা পাকা ধান ঘরে তুলতে বাধ্য  হচ্ছেন । বাম্পার ফলন হলেও ধান ঘরে তুলতে না পারায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখিন। বেশীরভাগ ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে ধানের যে দাম পাচ্ছেন তা দিয়ে উৎপাদন খরচ উঠবে না বলে অভিযোগ করেন হাওয়র পারের কৃষকরা।

মৌলভীবাজারের উপ পরিচালক,কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, আবুল কালাম চৌধুরী, বলেন উৎপাদনে খরচ হয়েছে বেশী। তাই ধানের ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছেন কৃষকরা ।

কিছু ধান তলিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে কৃষি কর্মকর্তা বলেন জেলার বোরো উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে তবে পাম্প হাউস দিয়ে সঠিক ভাবে পানি সেচ করা গেলে কৃষকরা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেত।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা দূর ও ধানের দাম বৃদ্ধি করে বোরো চাষীদের রক্ষায় এগ্রিয়ে আসবেন সরকার এমনটাই প্রত্যাশা হাওরপারের কৃষকদের।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc