মাহমুদুর রহমানকে রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ

    0
    3

    ঢাকা, ২১ এপ্রিল : আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিটটি হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন। আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরবর্তী পদক্ষেপ প্রসঙ্গে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আদেশের কপি পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    মাহমুদুর রহমানকে রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ
    মাহমুদুর রহমানকে রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ

    পৃথক তিন মামলায় মাহমুদুর রহমানকে ১৩ দিনের রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বুধবার মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী ফিরোজা মাহমুদ রিটটি করেন। রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় রিমান্ডের কার্যক্রম স্থগিত করার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশও চেয়েছিলেন মাহমুদুরের স্ত্রী।রিট আবেদনে মাহমুদুর রহমানকে তিন মামলায় গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এ মর্মে রুল চাওয়া হয়। তাকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়নি, তা নিশ্চিতে তাকে হাইকোর্টে হাজির করার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না এ বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে। এতে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকার জেলা প্রশাসক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ নয়জনকে বিবাদী করা হয়।
    আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সালেহ উদ্দিন। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।
    গত ১১ এপ্রিল কারওয়ান বাজারে আমার দেশ কার্যালয় থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তেজগাঁও থানায় করা তিনটি মামলায় ১৩ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।
    আবেদনকারীর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী শুনানিতে বলেন, গত ১১ এপ্রিল গ্রেপ্তারের পর মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৩ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে হাকিম আদালত। ১০ বছর আগে একটি মামলায় হাইকোর্ট ঠিক করে দিয়েছিল, কীভাবে রিমান্ডে নিতে হবে।

    আসামির আইনজীবী বলেন, সংবিধানের ১১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের রায় নিম্ন আদালতের বিচারকরা মানতে বাধ্য। এক্ষেত্রে তারা তা মানছেন না। অন্যদিকে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, হাইকোর্ট বিভাগে রিমান্ড নিয়ে যে আদেশ হয়েছিল, তা এখনও আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ওই আদেশ হয়েছিল, ৫৪ ধারায় আটকাদেশ নিয়ে। আর মাহমুদুর রহমানকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে সুনির্দিষ্ট মামলায়।

     

     

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here