বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপনে এক কিশোরীকে বেত মারা থেকে সরে আসলো মালদ্বীপ

    0
    3

    আমার সিলেট ডেস্ক,২৩ আগস্ট  : পর পুরুষের সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এক কিশোরীকে বেতমারার দণ্ড দিয়েছিলো মালদ্বীপের নিম্ন আদালত। বুধবার মালদ্বীপের উচ্চ আদালত এই শাস্তির বিরুদ্ধে রুল জারি করলে তা রদ হয়।

    ১৫ বছর বয়সী এক বালিকা তার সৎ পিতার সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়ায়। এ ঘটনা মালদ্বীপের আদালতে উঠে। ইসলামিক শরীয়া অনুসারে ওই কিশোরীকে ১০০ বেত মারার শাস্তি প্রদান করা হয়। আদালত বলে, মেয়েটির বয়স যখন ১৮ হবে তখন এই শাস্তি ভোগ করতে হবে।

    আদালতের এমন সিদ্ধান্ত মালদ্বীপে জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ডানপন্থী দলগুলোর মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত এই বিচার ও দণ্ডের বিরুদ্ধে একটি রুল জারি করে। উচ্চ আদালত বলে, কিশোরী বাবা নিম্ন আদালতে ভুল ভাবে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ধর্ষণের শিকার কিশোরী সম্পর্কে আদালত বলেন, মেয়েটি নিজে থেকে দোষ স্বীকার করায় এমন শাস্তি পেয়েছে, কিন্তু মেয়েটি দোষ স্বীকারের সময় সুস্থ ছিলো না। সে পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসওর্ডারে ভুগছিলও। মেয়েটি পুরো বিচারের সময় অসুস্থ ছিলো। সে কারণে বিচারে প্রাপ্ত শাস্তি রুল জারির মাধ্যমে বাতিল করা হলো।

    আদালতের এমন আদেশ শুনে খুশি হয়েছেন সেখানকার বিদেশি মানবাধিকার কর্মীরা। এমেনিস্টির এশিয়া প্যাসিফিকের কর্মী পলি ট্রাসকোট বলেন, আমাদের এটি জেনে ভালো লাগছে যে অমানুষিক ওই দণ্ড মেয়েটিকে ভবিষ্যতে ভোগ করতে হবে না। তিনি আরো বলেন, আমরা আশা করি মালদ্বীপের আদালত ইতিপূর্বে বেত মারার যেসব দণ্ড দিয়েছিলো তা সব বাতিল করে দিবে।

    মালদ্বীপে বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। ইসলামিক শরীয়া আইন অনুসারে এসব অপরাধের বিচার হয়। তবে দেশটির আদালত শরীয়া আইনের পাশাপাশি ব্রিটিশ কমন ল অনুসরণ করে থাকে। বিবিসি অনলাইন

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here