Tuesday 29th of September 2020 11:10:29 AM
Thursday 31st of December 2015 04:32:50 PM

বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগের জয়, না জনতার ?

রাজনীতি ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগের জয়, না জনতার ?

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১ডিসেম্বর,মৌসুমী আক্তার: দেশের ২৩৪ পৌরসভায় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জনতার রায়ে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে।
বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার অভিযোগ থাকলেও বড় ধরণের সংঘাত ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর ২০১৫) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে ভোটাররা উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।তবে ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও মাধবদীর ভোট স্থগিত  করা হয়। অন্যদিকে কেন্দ্রে বাধা ও অনিয়মের বিষয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে একের পর এক অভিযোগ করে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সাক্ষাত পাননি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের।

সর্বশেষ বেসরকারিভাবে ২৩৩ পৌরসভার মেয়র পদের ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে ১৮১টি পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টি-জাপার ১ জন, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ১৬, বিএনপি বিদ্রোহী ২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৯ জন জয়লাভ করেন। যদিও এরই মধ্যে ৭ জন মেয়র, ৯৪ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ৪০ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলরসহ মোট ১৪১ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে আছেন। ভোটের আগে পিরোজপুর, মাদারগঞ্জ, টুঙ্গীপাড়া, ফেনী, পরশুরাম, চাটখিল ও ছেংগারচরের আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হন।

নির্বাচনে ২০টি রাজনৈতিক ও স্বতন্ত্রসহ ৯৪৫জন মেয়র প্রার্থী অংশগ্রহন করেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৪ জন, বিএনপি ২২৩ জন, জাতীয় পার্টি-জাপা ৭৪ জন, জাতীয় পার্টি-জেপি ৬জনসহ অন্যান্য দলের মোট ৬৬০জন প্রার্থী অংশগ্রহন করে। তবে ২০ দলের মধ্যে মাত্র ৩টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে। বাকী ১৭টি দলের কোন প্রার্থী জয়ী হতে পারেননি। নির্বাচনে ২৮৫ জন স্বতন্ত্র অংশ নেন।

এছাড়াও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮ হাজার ৭৪৬ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৪৮০ জন প্রার্থী অংশ নেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩০৪ জন সদস্য মোতায়েন করা ছিল। ২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬৫টি, চট্টগ্রামে ৩৭টি, খুলনায় ২৯টি, রাজশাহীতে ৫০টি, বরিশালে ১৭টি, সিলেটে ১৬টি এবং রংপুরে ২০টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের এ নির্বাচনে কোন বিদেশী সংস্থা পর্যবেক্ষণ করেনি। আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনকে এ যাবত্কালের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছে। অন্যদিকে বিএনপি অভিযোগ করেছে অন্তত ২০০ পৌরসভায় কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছে।

সাত বিভাগের বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের নাম:

ঢাকা বিভাগের ৬৫টি (স্থগিত মাধবদী) : গাজীপুরের শ্রীপুর আনিসুর রহমান,টাঙ্গাইল সদর জামিলুর রহমান মিরন, ধনবাড়ী খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন, মধুপুর মাসুদ পারভেজ, মির্জাপুর মো. সাহাদত হোসেন সুমন, ভুঞাপুর মাসুদুল হক মাসুদ, সখিপুর আবু হানিফ আজাদ, গোপালপুর রকিবুল হক ছানা, কালীহাতি আলী আকবর জব্বার (বিএনপি), জামালপুর সদর সাখাওয়াতুল আলম মনি, সরিষাবাড়ী রোকনুজ্জামান রোকন, মেলান্দহ শফিক জাহেদ রবিন, ইসলামপুর আব্দুল কাদের শেখ, মাদারগঞ্জ মির্জা গোলাম কিবরিয়া, দেওয়ানগঞ্জ শাহে নেওয়াজ শাহেন শাহ, শেরপুর সদর গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া, নকলা মো.হাবিবুর রহমান লিটন, নালিতাবাড়ী আবু বাক্কার সিদ্দিক, শ্রীবরদী আবু সাঈদ, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা শহীদুল ইসলাম (বিএনপি), গৌরীপুর সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, ঈশ্বরগঞ্জ আব্দুর সাত্তার কমান্ডার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), ত্রিশাল এবিএম আনিসুজ্জামান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), ভালুকা ডা. একে এম মিজবাহউদ্দিন কাইয়ূম, গফরগাও এস এম ইকবাল হোসেন সুমন, নান্দাইল রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া, ফুলপুর আমিনুল ইসলাম (বিএনপি), ফুলবাড়িয়া গোলাম কিবরিয়া, নেত্রকোনা সদর নজরুল ইসলাম খান, মোহনগঞ্জে লতিফুর রহমান রতন , মদন আব্দুল হান্নান তালুকদার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), দুর্গাপুর মৌলভী মো. আব্দুস সালাম, কেন্দুয়া আসাদুল হক ভুইয়া, কিশোরগঞ্জ সদর মো. পারভেজ মিয়া, কুলিয়ারচর আবুল হাসান, হোসেনপুর আব্দুল কাইয়ুম, কটিয়াদী শওকত ওসমান, বাজিতপুর আনোয়ার হোসেন, ভৈরব ফখরুল আলম, করিমগঞ্জ হাজী আবদুল কাইয়ূম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মানিকগঞ্জ সদর গাজী কামরুল হুদা সেলিম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মুন্সীগঞ্জ সদর মোহাম্মদ ফয়সল বিপ্লব, মিরকাদিম শহীদুল ইসলাম শাহিন, ঢাকার ধামরাই গোলাম কবীর, সাভার আবদুল গনি, নরসিংদী সদর কামরুজ্জামান কামরুল, মনোহরদী আমিনুর রশীদ সুজন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাও সাদেকুর রহমান ভুইয়া (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), তারাবো হাসিনা গাজী, রাজবাড়ী সদর মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, পাংশা আবদুল আল মাসুদ, গোয়ালন্দ মো. নিজাম শেখ (স্বতন্ত্র), ফরিদপুরের বোয়ালমারী মোজাফফর হোসেন (স্বতন্ত্র), নগরকান্দা রায়হান উদ্দিন মিয়া, গোপালগঞ্জ সদর কাজী লিয়াকত আলী, টুঙ্গীপাড়া শেখ আহম্মেদ হোসেন মির্জা, মাদারীপুর সদর আওলাদ হোসেন খান, কালকিনি মশিউর রহমান সবুজ (স্বতন্ত্র), শিবচর আওলাদ হোসেন, শরীয়তপুর সদর রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, নড়িয়া হায়দার আলী, ডামুড্যাা হুমায়ুন কবীর বাচ্চু, জাজিরা ইউনুছ ব্যাপারী, ভেদরগঞ্জ আ. মান্নান হাওলাদার।

চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৭টি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মো. তাকজিল খলিফা কাজল, কুমিল্লার চান্দিনা মফিজুল ইসলাম, লাকসাম অধ্যাপক আবুল খায়ের, দাউদকান্দি নাঈম ইউছুফ সেইন, বরুড়া মো. জসিম উদ্দিন পাটোয়ারি (বিএনপি), চৌদ্দগ্রাম মো. মিজানুর রহমান, হোমনা নজরুল ইসলাম, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ মাহাবুব উল আলম, ছেংগারচর রফিকুল আলম, ফরিদগঞ্জ মাহফুজুর রহমান, কচুয়া নাজমুল আলম স্বপন, মতলব আওলাদ হোসেন লিটন, ফেনী সদর হাজী আলাউদ্দিন, দাগনভুইঞা ওমর ফারুক, পরশুরাম নিজামউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, নোয়াখালীর বসুরহাট আবদুল কাদের, চৌমুহনী আক্তার হোসেন ফয়সাল (এগিয়ে), হাতিয়া ইউসুফ আলী, চাটখিল মোহাম্মদউল্লাহ পাটোয়ারি, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ আবুল খায়ের পাটোওয়ারী, রামগতি হাজী মো. মেজবাহ উদ্দিন মেজু, রায়পুর হাজী মো. ইসমাইল হোসেন খোকন, চট্টগ্রামের সন্দীপ জাফরুল্লাহ টিটু, বাঁশখালী সেলিমুল হক চৌধুরী, চন্দনাইশ মাহবুবুল আলম খোকা, সাতকানিয়া মো. জোবায়ের, মীরসরাই গিয়াসউদ্দিন, বারাইয়ারহাট নিজামউদ্দিন, পটিয়া মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, রাউজান দেবাশিষ পালিত, রাঙ্গুনিয়া শাহজাহান শিকদার, সীতাকুণ্ডু বদিউল আলম, খাগড়াছড়ি সদর মো. রফিকুল আলম (স্বতন্ত্র), মাটিরাঙা সামছুল হক, রাঙামাটি সদর আকবর হোসেন চৌধুরী, বান্দরবান সদর মো. ইসলাম বেবী ও লামায় জহিরুল ইসলাম।

খুলনা বিভাগের ২৯টি : মেহেরপুরের গাংনী আশরাফুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), কুষ্টিয়া সদর হাজী অনোয়ার আলী, মিরপুর হাজী এনামুল হক, ভেড়ামারা শামিমুল ইসলাম, কুমারখালী শামসুজ্জামান অরুন, খোকসা তারিকুল ইসলাম তারিক, খুলনার পাইকগাছা সেলিম জাহাঙ্গীর, দাকোপের চালনা সনত্ কুমার বিশ্বাস, চুয়াডাংগা সদর ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু (স্বতন্ত্র), দর্শনা মতিয়ার রহমান, জীবন নগর জাহাঙ্গীর আলম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আলমডাঙ্গা হাসান কাদির গণু, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (স্বতন্ত্র), মহেশপুর আব্দুর রশিদ খান, হরিণাকুণ্ডু শাহীনুর রহমান রিন্টু, শৈলকূপা কাজী আশরাফুল আজম, যশোর সদর জহিরুল ইসলাম চাকলাদার, নওয়াপাড়া সুশান্ত কুমার দাস, মনিরামপুর মাহামুদুল হাসান, বাঘারপাড়া কামারুজ্জামান বাচ্চু, চৌগাছা নুর উদ্দিন আল মামুন হিমেল, কেশবপুর রফিকুল ইসলাম মোড়ল, নড়াইল সদর মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, কালিয়া মুশফিকুর রহমান লিটন (স্বতন্ত্র), বাগেরহাট সদর খান হাবিবুর রহমান, মোড়েলগঞ্জ এডভোকেট মনিরুল হক তালুকদার, মাগুরা সদর খুরশিদ হায়দার টুটুল, সাতক্ষীরা সদর তাসকিন আহমদ চিশতি (বিএনপি) ও কলারোয়া পৌরসভা গাজী আক্তারুল ইসলাম  (বিএনপি)।

রাজশাহী বিভাগের ৫০টি : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র, জামায়াত), রহনপুর তারিক আহম্মদ (বিএনপি), শিবগঞ্জ কারিমূল হক রাজিন (স্বতন্ত্র), নাচোল আব্দুর রশিদ খান, জয়পুরহাট সদর মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আক্কেলপুর গোলাম মাহফুজ চৌধুরী, কালাই খন্দকার আলিমুল আলম জন, নওগা সদর নজমুল হক সনি (বিএনপি এগিয়ে), নজিপুর রেজাউল কবীর চৌধুরী, নাটোর সদর উমা চৌধুরী, সিংড়া জান্নাতুল ফেরদৌস, বড়াইগ্রাম আবদুল বারেক সরদার,নলডাঙ্গা শফিরউদ্দিন মন্ডল, গোপালপুর নজরুল ইসলাম (বিএনপি), গুরুদাসপুর মো. শাহনেওয়াজ আলী মোল্লা, পাবনা সদর কামরুল হাসান (বিএনপির বিদ্রোহী), ভাঙ্গুড়া গোলাম হাসনাইন রাসেল, ঈশ্বরদী আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, চাটমোহর মির্জা রেজাউল করিম দুলাল (স্বতন্ত্র), সাঁথিয়া মিরাজুল ইসলাম প্রমাণিক, সুজানগর আবদুল ওয়াহাব, ফরিদপুর খ ম কামরুজ্জামান মাজেদ, বগুড়া সদর এডভোকেট মাহবুবুর রহমান (বিএনপি), শেরপুর আব্দুস সাত্তার, সারিয়াকন্দি আলমগীর শাহী সুমন, গাবতলী সাইফুল ইসলাম (বিএনপি), সান্তাহার তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টো (বিএনপি), কাহালু হেলালউদ্দিন কবিরাজ, ধুনট এজিএম বাদশাহ (স্বতন্ত্র), নন্দীগ্রাম কামরুল হাসান জুয়েল (বিএনপি বিদ্রোহী), শিবগঞ্জ তৌহিদুর রহমান মানিক, রাজশাহী জেলার কাঁকনহাট আব্দুল মুজিদ মাস্টার, আড়ানী মুক্তার আলী, মুন্ডুমালা গোলাম রাব্বানী, কেশরহাট শহিদুজ্জামান শহীদ, গোদাগাড়ী মনিরুল ইসলাম বাবু, তাহেরপুর আবুল কালাম আজাদ, ভবানীগঞ্জ আব্দুল মালেক মন্ডল, তানোর মিজানুর রহমান (বিএনপি), কাটাখালী আব্বাস আলী সরদার, চারঘাট জাকিরুল ইসলাম বিকুল (বিএনপি), দুর্গাপুর তোফাজ্জ্বল হোসেন, পুঠিয়া আসাদুল হক (বিএনপি), পবার নওহাটা শেখ মকবুল হোসেন (বিএনপি), সিরাজগঞ্জ সদর সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, শাহজাদপুর হালিমুর হক মিরু, উল্লাপাড়া নজরুল ইসলাম, রায়গঞ্জ গাজী আব্দুল্লাহ আল পাঠান, বেলকুচি আশানুর বিশ্বাস ও কাজিপুর হাজী নিজামউদ্দিন।

বরিশাল বিভাগের ১৭টি : ঝালকাঠীর নলছিটি তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, পিরোজপুর সদর হাবিবুর রহমান মালেক, স্বরূপকাঠী গোলাম কবীর, পটুয়াখালীর কলাপাড়া বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, কুয়াকাটা বারেক মোল্লা, বরগুনা সদর শাহাদাত হোসেন (স্বতন্ত্র), বেতাগী এ বি এম গোলাম কবির, পাথরঘাটা মো. আনোয়ার হোসেন আকন, বরিশালের মুলাদী শফিকুজ্জামান রুবেল, গৌরনদী হারিছুর রহমান, মেহেন্দীগঞ্জ কামাল উদ্দিন খান, বানারীপাড়া সুভাষ চন্দ্র শীল, বাকেরগঞ্জ লোকমান হোসেন ডাকুয়া, উজিরপুর মো. গিয়াসউদ্দিন, ভোলা সদর মনিরুজ্জামান মনির, বোরহানউদ্দিন রফিকুল ইসলাম, দৌলতখান জাকির হোসেন ।

সিলেট বিভাগের ১৬টি : সুনামগঞ্জ সদর মো. আয়ুব বখত, ছাতক আবুল কালাম চৌধুরী, জগন্নাথপুর আব্দুল মোনাফ, দিরাই মোশাররফ মিয়া, সিলেটের জকিগঞ্জ খলিলুর রহমান, কানাইঘাট নিজাম উদ্দিন (স্বতন্ত্র), গোলাপগঞ্জ সিরাজুল জব্বার (স্বতন্ত্র), মৌলভীবাজার সদর মো. ফজলুর রহমান, কমলগঞ্জ মো. জুয়েল আহমদ, কুলাউড়া শফি আলম ইউনুছ (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী), বড়লেখা আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, হবিগঞ্জ সদর জি কে গউছ (বিএনপি), নবীগঞ্জ ছাবির হোসেন চৌধুরী (বিএনপি), চুনারুঘাট নাজিম উদ্দিন শামস (বিএনপি), মাধবপুর হিরন্দ্র লাল সাহা ও শায়েস্তাগঞ্জ সালেক মিয়া।

রংপুর বিভাগের ২০টি : কুড়িগ্রাম সদর আব্দুল জলিল, নাগেশ্বরী আব্দুর রহমান মিয়া (জাপা), উলিপুর (ফলাফল স্থগিত, এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী), গাইবান্ধা সদর শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির,গোবিন্দগঞ্জ আতাউর রহমান সরকার, সুন্দরগঞ্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঠাকুরগাঁও সদর মির্জা ফয়সল আমীন (বিএনপি), পীরগঞ্জ মো. কসিরুল আলম, রানীশংকৈল আলমগীর সরকার, দিনাজপুর সদর সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), ফুলবাড়ী মোর্ত্তজা সরকার মানিক (স্বতন্ত্র), বীরগঞ্জ মাওলানা মো. হানিফ (স্বতন্ত্র-জামায়াত), বিরামপুর লিয়াকত আলী সরকার টুটুল (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), হাকিমপুর মো. এস এম জামিল হোসেন, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর আমজাদ হোসেন সরকার (বিএনপি), জলঢাকা ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট (বিএনপি), পঞ্চগড় সদর তৌহিদুল ইসলাম (বিএনপি), রংপুরের বদরগঞ্জ উত্তম কুমার সাহা, লালমনিরহাট সদর রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু ও পাটগ্রাম পৌরসভা শমসের আলী ।

এদিকে পৌর নির্বাচন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে বিএনপি এই নির্বাচনকে কারচুপির নির্বাচন বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের দাবি, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে।তবে পৌরসভায় বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগের জয় না জনতার এ প্রশ্ন সকলের।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc