নবীগঞ্জে নগদে বিএনপি ও আয়ে আা’লীগ প্রার্থী এগিয়ে

    0
    10

    নূরুজ্জামান ফারুকী,নবীগঞ্জঃ  নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে হলফনামা অনুযায়ী বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ছাবির আহমদ চৌধুরীর তুলনায় আাওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী গোলাম রসূল চৌধুরী রাহেলের আয়( ব্যবসায়ীক) বেশী।তবে রাহেলের তুলনায় হাতে নগদের পরিমাণে ছাবির আহমদ চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুল আলম সুমন।আগামী ১৬ জানুয়ারি নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।এতে মেয়র পদে তিনজন প্রার্থীই প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।তাদের তিন জনেরই মনোয়নপএ বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোয়ন পএ হলফনামা অনুযায়ী আয়ের দিক থেকে সকলেই কাছাকাছি হলেও স্হাবর – অস্হাবর সম্পওির পরিমাণ ভিন্ন। আাওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম রসূল চৌধুরী রাহেল নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেনএবং হলফনামা অনুযায়ী ক্লাইণ্ট বিজনেস থেকে তার বার্ষিক আয় ৪লাখ টাকা এবং হাতে নগদ মাএ ৫০ হাজার টাকা
    ।তবে স্ত্রীর নামে অস্হাবর সম্পওিতে দেখিয়েছেন ৫০ ভরি স্বর্ণালংকার। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ছাবির আহমদ চৌধুরী নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।তার ব্যবসা প্রতিষ্টান তিনটি। সেখান থেকে প্রতিবছর আয় ৩লাখ ৬২হাজার ২’ শ ৫০ টাকা
    কৃষিখাতে আয় ৩৫ হাজার টাকা
    এর বাইরে ও পৌর মেয়র হিসেবে বার্ষিক সম্মানী পেয়ে থাকেন ৬লাখ ৬০ হাজাার টাকা।পাওনা দেখিয়েছেন আইডিএলসি ফাইনান্স লিমিটেড হবিগঞ্জ শাখায় একক পাওনা পরিমাণ ৯৯লাখ টাকা এনসিসি ব্যাংক নবীগঞ্জ শাখার পাওনা ৯০লাখ টাকা ও কৃষি ব্যাংক নবীগঞ্জ শাখার পাওনা ছাবির আহমদের নিকট ৫ কোটি টাকা।হলফনামা অনুযায়ী তার হাতে নগদ সাড়ে৬ লক্ষ ও তার স্ত্রীর হতে দেড় লাখ টাকা
    ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্টা্নে নিজের নামে জমা আছে ৫০ হাজার টাকা ওস্ত্রীর নামে আছে ২০ হাজার টাকা।স্বর্ণালংকার নিজের নামে ১ভরি ও নির্ভরশীলদের নামে আরও ৩ ভরি।স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী মাহবুবুল আলম সুমন নবীগঞ্জ উপজেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। পেশায় উল্লেখ করেছেন ব্যবসায়ী।তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।তবে নগদ ১ লাখ ১১ হাজার ও স্বর্ণ তার স্ত্রীর নামে আছে ১৫ ভরি এবং ওনির্ভরশীলদের নামে ৫ভরি স্বর্ণ।