থ্রিজি নীতিমালা অনুসারে অপারেটররা ১৫ বছরের জন্য লাইসেন্স পাচ্ছে

    0
    2

    আমারসিলেটটোয়েন্টিফোর,০৮ সেপ্টেম্বর  :  দেশে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি (থ্রিজি) সেবার প্রথম নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম উঠেছে ২ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা থেকে সরকারের মোট আয় হচ্ছে ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা। থ্রিজি নীতিমালা অনুসারে অপারেটররা ১৫ বছরের জন্য এই লাইসেন্স পাচ্ছে।ওই দরে ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোন। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানটি থ্রিজি লাইসেন্স নিচ্ছে ২১ কোটি ডলারে।নিলাম চলাকালীন ডলারের বিনিময় হার অনুযায়ী গ্রামীণ ফোনকে পরিশোধ করতে হবে প্রায় ১ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা।

    এছাড়া প্রতি মেগাহার্টজ একই দরে পাঁচ মেগাহার্টজ করে তরঙ্গ কিনছে অপর তিন বেসরকারি অপারেটর বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেল। এ জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে গুণতে হবে প্রায় ৮১৬ কোটি টাকা করে।থ্রিজি নীতিমালা অনুসারে অপারেটররা ১৫ বছরের জন্য এই লাইসেন্স পাচ্ছে। তবে কেউ আগ্রহী না হওয়ায় বিটিআরসির হাতে থাকা ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ অবিক্রিতই থেকে গেছে।টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে রোববার রাজধানীর হোটেল রূপসী বাংলায় এই নিলাম হয়।চার অপারেটরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রতিনিধিরা নিলামের ডাকে অংশ নেন।

    বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস সাংবাদিকদের বলেন, এই নিলাম থেকে সরকারের মোট আয় হচ্ছে ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত্ব অপারেটর টেলিটক নিলামে ওঠা দর পরিশোধ করে (প্রতি মেগাহার্টজ ২ কোটি ১০ লাখ ডলার) ১০ মেগাহার্টজ থ্রিজি তরঙ্গ ব্যবহার করবে।বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, অবিক্রিত তিনটি স্লটে ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গের বিষয়ে সরকার পরে সিদ্ধান্ত নেবে।

    রোববারের নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রথম কিস্তিতে মোট টাকার ৬০ শতাংশ জমা দিতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। বাকি টাকা ১৮০ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।গত ২৯ অগাস্ট নিলামে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিড আর্নেস্ট মানি জমা দেয় বেসরকারি এই চার মোবাইল ফোন অপারেটর। নিলামের জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও দেশের প্রথম ও একমাত্র সিডিএমএ অপারেটর সিটিসেল ‘আর্থিক সমস্যার’ কারণে টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হয়ে নিলাম থেকে ছিটকে পড়ে।

     

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here