Sunday 25th of October 2020 01:50:32 AM
Saturday 21st of February 2015 02:50:52 PM

ট্রাফিক কর্তৃক অন্যায়ভাবে নির্যাতন বন্ধের দাবিঃরিকশা শ্রমিক সংঘ

মানবাধিকার ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
ট্রাফিক কর্তৃক অন্যায়ভাবে নির্যাতন বন্ধের দাবিঃরিকশা শ্রমিক সংঘ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১ফেব্রুয়ারী,আলী হোসেন রাজনঃ মৌলভীবাজার জেলা রিকশা শ্রমিক সংঘের এক সভায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতিরোধ করে বর্তমান বাজারদরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ন্যায্য ভাড়া নির্ধারণ, রিকশা রাখার জন্য সুবিধাজনক স্থানে স্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন ও কথায় কথায় রিকশা শ্রমিকদের উপর নির্যাতন বন্ধের দাবি জানানো হয়। রিকশা শ্রমিক সংঘের সভাপতি সোহেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোটেশ শ্রমিক ইউনিয়ন মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর মোঃ জসিমউদ্দিন। সভায় বক্তব্য রাখেন রিকশা শ্রমিক সংঘের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক কিসমত মিয়া, সদস্য আবু হানিফ খান, আবুল মিয়া, কালাম মিয়া, বিল্লাল হোসেন সরকার।

সভায় বক্তারা বলেন রিকশা শ্রমিকরা প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রখর রোদ, ঝড়বৃষ্টি ও হাড় কাপানো শীতের মধ্যে অমানুষিক পরিশ্রম করে রিকশা চালিয়ে আমরা দুঃখ কষ্টের জীবন জীবিকা নির্বাহ করি। গ্রাম্য জোতদার মহাজনের শোষণে জমি-জমা হারিয়ে জীবিকার তাগিতে শহরে এসে মধ্যযুগীয় কায়দায় মানুষ হয়ে মানুষ টেনে নেওয়ার মত অমানবিক পেশার মাধ্যমে যাত্রী সাধারণের সেবা করলেও তার প্রতিদানে আমরা ন্যায্য ভাড়া পাই না। ২০০৭ সালে রিকশা শ্রমিকদের সাথে কোন রকম আলোচনা না করে পৌরসভা কর্তৃক মৌলভীবাজার শহরে রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাড়ার তালিকা টাঙ্গানো হয়, যা সেই সময়েই বাজারদরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না।

এরপর চাল, আটা, ডাল, তেল, লবন, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুণের বেশি দাম বাড়ালেও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নতুন ভাড়ার তালিকা দেন নাই। এমতাবস্থায় বর্তমান দ্রব্যমূল্যেও ঊর্ধ্বগতির বাজারে রিকশা শ্রমিকরা মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। সেই সাথে যথাযথ ভাড়া নির্ধারণ না করায় যাত্রী সাধারণের সাথে ভাড়া নিয়ে বাদানুবাদ লেগেই থাকে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে রিকশা শ্রমিকদের শাররিক লাঞ্চনার শিকার হতে হয়। তাছাড়া কোন কোন যাত্রী যাত্রা পথে এক মিনিটের কথা বলে রিকশা থামিয়ে সময় ক্ষেপন করলেও সেই অনুপাতে ন্যায্য ভাড়া পরিশোধ করেন না। একশ্রেণীর যাত্রীর জোরপূর্বক রিকশায় উঠা, এক জায়গার কথা বলে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত যাত্রী বহনে বাধ্য করা ইত্যাদি সহ্য করে আমাদের চলতে হয়।

ট্রাফিক পুলিশ কর্র্তৃক অন্যায়ভাবে মারধোর, হাওয়া ছেড়ে দেওয়াসহ অন্যান্য পরিবহণের শ্রমিক, দোকানদার, পথচারীদের সাথে কোন ঘটনা ঘটলেই ন্যায়-অন্যায় বিচার না করে রিকশা শ্রমিকদের উপর জুলুম নির্যাতন সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। যাত্রী উঠা নামার সুবিধাজনক রিকশা স্ট্যান্ডগুলোও ইজিবাইক, মিশুক, সিএনজি, মাইাক্রোবাস, হকার, ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে দোকান বা মার্কেটের সামনে রিকশা রাখতে হয়। ফলে একদিকে যেমন দোকান বা মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সমস্যা হয় অন্যদিকে রিকশা শ্রমিকদের সংশ্লিস্টদের তাড়া খেয়ে চলতে হয়।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc