Saturday 26th of September 2020 04:43:21 AM
Wednesday 13th of March 2013 07:46:01 PM

জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করেন খালেদা

সাধারন ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করেন খালেদা

জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করেন খালেদা।

পুলিশি অভিযান ও নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দুই দিন পর বুধবার নয়া পল্টনে দলের প্রধান কার্যালয় দেখতে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখানে সমবেত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বক্তৃতাও করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গত সোমবার কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তি দেয়া না হলে আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ সারাদেশে হরতাল হবে।

দলীয় চেয়ারপারসনের হরতালের এই ঘোষণা আসার পর উপস্থিত কর্মীরা মুহুর্মুহু স্লোগানে তা স্বাগত জানায়।  

জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করে খালেদা বলেন, “এই গণহত্যার জন্য আবার বিচার হবে, ট্রাইব্যুনাল হবে।”

“প্রধানমন্ত্রী নিজেও দায় এড়াতে পারে না। গণহত্যায় ১৭০ জন নিহত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তা হবে আন্তর্জাতিক মানের। ক্ষমতায় গেলে সে বিচার করব।”

পৌনে ৬টায় একটি সাদা গাড়িতে করে নয়া পল্টনে পৌঁছান বিএনপি প্রধান। এ সময় তুমুল করতালিতে তাকে স্বাগত জানান দলীয় নেতা-কর্মীরা।

হাজার হাজার কর্মী সমর্থকের মধ্যে দিয়ে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেস্তোরাঁ থেকে খালেদা জিয়াকে কার্যালয়ের ফটকে নিয়ে আসতে নিরাপত্তাকর্মীদের হিমশিম খেতে হয়।

ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মহানগর আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সাদেক হোসেন খোকাসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান।

সর্বশেষ ২৩ মাস আগে এক অনুষ্ঠানের মাঝখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে এ কার্যালয়ে এসেছিলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আসার খবরে দুপুর থেকেই নেতা-কর্মীরা নয়া পল্টনে সমবেত হতে থাকেন। কাকরাইলের নাইটেঙ্গল রেস্তোরাঁ থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত সড়কে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নিলে বেলা ২টার দিকে নয়া পল্টন সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

এ সময় বিএনপি কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন- ‘খালেদা জিয়া এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’, ‘খালেদা জিয়া ভয় নেই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘ ১৮ ও ১৯ মার্চ সারা দেশে হরতাল হরতাল’।

নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় চেয়ারপারসনের কার্যালয় থাকলেও সেখানে তিনি শেষবার আসেন ২০১১ সালের ২৩ এপ্রিল। সেদিন মহানগর নাট্যমঞ্চে দলের নির্বাহী কমিটির সভার মধ্যহ্ন বিরতিতে এই কার্যালয়ে এসে কিছু সময় অবস্থান করে আবার সভায় ফিরে যান।

গত বছর এ কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের সমাবেশে যোগ দিলেও অফিসের ভেতরে যাননি বিএনপি চেয়ারপার্সন। সাধারণত গুলশানে নিজের কার্যালয়েই দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করেন খালেদা।

পুলিশি অভিযান ও নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দুই দিন পর বুধবার নয়া পল্টনে দলের প্রধান কার্যালয় দেখতে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখানে সমবেত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বক্তৃতাও করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গত সোমবার কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তি দেয়া না হলে আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ সারাদেশে হরতাল হবে।

দলীয় চেয়ারপারসনের হরতালের এই ঘোষণা আসার পর উপস্থিত কর্মীরা মুহুর্মুহু স্লোগানে তা স্বাগত জানায়।  

জামায়াতি তাণ্ডবের ফলে সৃষ্ট সহিংসতায় অর্ধশতাধিকের প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করে খালেদা বলেন, “এই গণহত্যার জন্য আবার বিচার হবে, ট্রাইব্যুনাল হবে।”

“প্রধানমন্ত্রী নিজেও দায় এড়াতে পারে না। গণহত্যায় ১৭০ জন নিহত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তা হবে আন্তর্জাতিক মানের। ক্ষমতায় গেলে সে বিচার করব।”

পৌনে ৬টায় একটি সাদা গাড়িতে করে নয়া পল্টনে পৌঁছান বিএনপি প্রধান। এ সময় তুমুল করতালিতে তাকে স্বাগত জানান দলীয় নেতা-কর্মীরা।

হাজার হাজার কর্মী সমর্থকের মধ্যে দিয়ে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেস্তোরাঁ থেকে খালেদা জিয়াকে কার্যালয়ের ফটকে নিয়ে আসতে নিরাপত্তাকর্মীদের হিমশিম খেতে হয়।

ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মহানগর আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সাদেক হোসেন খোকাসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান।

সর্বশেষ ২৩ মাস আগে এক অনুষ্ঠানের মাঝখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে এ কার্যালয়ে এসেছিলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আসার খবরে দুপুর থেকেই নেতা-কর্মীরা নয়া পল্টনে সমবেত হতে থাকেন। কাকরাইলের নাইটেঙ্গল রেস্তোরাঁ থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত সড়কে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নিলে বেলা ২টার দিকে নয়া পল্টন সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

এ সময় বিএনপি কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন- ‘খালেদা জিয়া এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’, ‘খালেদা জিয়া ভয় নেই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘ ১৮ ও ১৯ মার্চ সারা দেশে হরতাল হরতাল’।

নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় চেয়ারপারসনের কার্যালয় থাকলেও সেখানে তিনি শেষবার আসেন ২০১১ সালের ২৩ এপ্রিল। সেদিন মহানগর নাট্যমঞ্চে দলের নির্বাহী কমিটির সভার মধ্যহ্ন বিরতিতে এই কার্যালয়ে এসে কিছু সময় অবস্থান করে আবার সভায় ফিরে যান।

গত বছর এ কার্যালয়ের সামনে ১৮ দলের সমাবেশে যোগ দিলেও অফিসের ভেতরে যাননি বিএনপি চেয়ারপার্সন। সাধারণত গুলশানে নিজের কার্যালয়েই দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

Khaleda


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বশেষ সংবাদ


সর্বাধিক পঠিত

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc