ক্রিকেট ইতিহাসে পঞ্চমবার বিশ্বকাপ জিতলো অস্ট্রেলিয়া

    2
    18

     আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯মার্চঃ নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ এ যেন সোনায় সোহাগা। টুর্নামেন্ট শুরু হতেই হলুদ জার্সিতে ফিরেছিল অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপে এটি তাদের সৌভাগ্যের রঙ। আনন্দের, সফলতার, অর্জনের প্রতীক হয়ে আবারও ধরা দিল হলুদ রঙ। ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ পঞ্চমবার বিশ্বকাপ জিতলো অস্ট্রেলিয়া।

    মেলবোর্নে একাদশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মর্যাদা ফিরে পেল ফাইনালের অপ্রতিরোধ্য অস্ট্রেলিয়া। পারলো না নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালের চৌকাঠ পার হওয়াই যাদের জন্য সান্তনা হয়ে রইল। মেলবোর্নে স্বাগতিকদের নৈপুন্যে বিবর্ণ দেখাল ব্ল্যাক ক্যাপসদের।

    এর আগে ইনিংসের শুরুতে কিউইদের ধাক্কাটা দিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ব্যাট হাতে কিউইদের তুরুপের তাস ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে (০) বোল্ড করেন স্টার্ক। গাপটিল বোল্ড হন ম্যাক্সওয়েলের (১৫) নীরিহ স্পিনে। জনসনের বলে কট এন্ড বোল্ড হন কিউইদের ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভ কেন উইলিয়ামসন (১২)। ৩৯ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসা কিউইদের ত্রাতা হয়েছে রস টেলর ও  গ্র্যান্ট এলিয়টের চতুর্থ উইকেট জুটি। অভিজ্ঞ টেলর ব্যাট হাতে স্বাবলীল হতে না পারলেও এলিয়ট করেছেন সহজাত ব্যাটিং। সেমিতে কিউইদের জয়ের নায়ক এলিয়ট তুলে নেন নবম হাফ সেঞ্চুরি।

    তাদের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নই দেখেছিল ব্ল্যাক ক্যাপসরা। কিন্তু ব্যাটিং পাওয়ার প্লে’তে এসে এলোমেলো হয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ১৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আগের ভিতটাও হারিয়ে ফেলে তারা। টেলর-এলিয়টের জুটি  বিচ্ছিন্ন হয় ১১১ রান যোগ করে। পাওয়ার প্লে’র প্রথম ওভারে তিন বলে টেলর, কোরি অ্যান্ডারসনকে ফেরান ফকনার। টেলর ৪০ রান করে হ্যাডিনের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরে যান। রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড হন কোরি অ্যান্ডারসন। পরের ওভারে স্টার্ক ফেরান রনকিকে (০)।

    একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ধ্বংসযজ্ঞ দেখা এলিয়ট ছিলেন কিউইদের শেষ ভরসা। দলীয় ১৭১ রানে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হন। ৮২ বলে ৮৩ রানের (৭ চার, ১ ছয়) ইনিংস খেলেন এলিয়ট। পরে লোয়ার অর্ডার সমর্থ হয়নি উইকেটে থিতু হতে। সাউদি (১১) রান আউট হলে শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে জনসন-ফকনার ৩টি ও স্টার্ক ২টি করে উইকেট নেন।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here