Saturday 21st of July 2018 05:33:54 AM
Sunday 1st of July 2018 12:25:14 PM

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলাঃছাত্রলীগের অস্বীকার


অপরাধ জগত, রাজধানী, রাজনীতি ডেস্ক
আমার সিলেট ২৪.কম
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলাঃছাত্রলীগের অস্বীকার

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর প্রথমে গণহামলা,পরে খুঁজে খুঁজে বেধড়ক মারধর,প্রতিবাদে আজ মানববন্ধন, কাল বিক্ষোভ”

ডেস্ক নিউজঃসরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গতকাল শনিবার হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হকসহ অন্তত ছয়জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন। তবে আন্দোলনকারীরা বলছেন, আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১০।

হামলার প্রতিবাদে আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় কলেজে মানববন্ধন এবং কাল সোমবার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করা হবে। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হবে।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন কবীর প্রথম আলোকে এই কর্মসূচির কথা জানান। তিনি বলেন, আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী থাকায় এখানে মানববন্ধন হবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গতকাল আন্দোলনকারীদের ওপর এই হামলায় জড়িত থাকার কথা ছাত্রলীগের নেতারা অস্বীকার করে বলেছেন, আন্দোলনকারীদের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হওয়ার কথা তাঁরা শুনেছেন।

এখন পর্যন্ত কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় পরবর্তী কর্মসূচি জানাতে গতকাল বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন ডাকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। কিন্তু এ নিয়ে আগের দিন থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে।

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গতকাল মধুর ক্যানটিনে জড়ো হন। পরে সকাল ১০টার দিকে গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক, ফারুক হোসেন, আতাউল্লাহসহ কয়েকজন নেতা গ্রন্থাগারের সামনে যান। তাঁরা সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সেখানে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা একযোগে ‘শিবির ধর’, ‘শিবির ধর’ বলে আন্দোলনকারী নেতাদের ধাওয়া করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক এস এম জাবেদ আহমদ দুই পক্ষকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সেখানে উপস্থিত আন্দোলনকারীদের এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। সবচেয়ে বেশি মারধরের শিকার হন যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক; তাঁর নাক-মুখ ফেটে রক্ত বের হচ্ছিল। তিনি অধ্যাপক জাবেদ আহমদের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানাতে থাকেন। ওই শিক্ষক নিজের পরিচয় দিয়ে ছাত্রটিকে রক্ষার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা নিবৃত্ত হননি। বরং নিজের হাতে আঘাত পান অধ্যাপক জাবেদ। মারধরের শিকার আহত নুরুলকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেন হামলাকারীরা। পরে তাঁকে পেছনের দরজা দিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মারধরের একপর্যায়ে গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক জাবেদ আহমদের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক।  ছবি: প্রথম আলোমারধরের একপর্যায়ে গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক জাবেদ আহমদের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক। ছবি: প্রথম আলোছাত্রলীগের মারমুখী নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে কেন্দ্রীয় মসজিদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চত্বর ও আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের সামনে নিয়ে মারধর করেন। পরে পরিচিতজনেরা আহতদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নেন। পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন গ্রন্থাগারের ভেতরে ঢুকে পড়েন। তিনি একটি কক্ষে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। বেলা তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা গ্রন্থাগারের উত্তর পাশের একটি দরজা দিয়ে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম আলোকে বলেন, হামলার সময় গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির ৫০-৬০ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। অনেকেই পরবর্তী কমিটিতে পদপ্রার্থী। তবে মারধরে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীদের বেশির ভাগই কনিষ্ঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মী। ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগেরও কিছু নেতা-কর্মী হামলায় অংশ নেন।

আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় মারধরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুলছাত্রবিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, উপসম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আরাফাত, মানবসম্পদবিষয়ক উপসম্পাদক জহির আহমেদ খান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপসম্পাদক আল মামুন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটির সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল জুবায়ের ভূইয়াকে চিহ্নিত করা গেছে।

তাঁদের বাইরে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সাকিব হাসান, মেহেদী হাসান, স্কুলছাত্রবিষয়ক উপসম্পাদক অসীম কুমার বৈদ্য, সাবেক সদস্য মাহবুব খান, জিয়াউর রহমান হল শাখার সভাপতি আরিফুর রহমান, বঙ্গবন্ধু হল শাখার সভাপতি বরিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রহমান, মুহসীন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান প্রমুখকে ঘটনাস্থলে দেখা গেছে।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা গ্রন্থাগারের ভেতরে প্রবেশ করে আন্দোলনকারীদের খুঁজতে থাকেন। দুপুর ১২টার দিকে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আরশকে বের করে এনে সাইকেল স্ট্যান্ডের পাশে নিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় তিনি জ্ঞান হারান। পরে তাঁকে রিকশায় করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আন্দোলনে জড়িত অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র আবদুল্লাহকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর দাবি, তিনি গ্রন্থাগারে পড়তে এসেছিলেন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পরে আন্দোলনকারীদের খুঁজতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অবস্থান নেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের সামনেও ছাত্রলীগের একটি পক্ষ অবস্থান নেয়। হাসপাতালের ভেতর গিয়ে দেখা যায়, আহত আতাউল্লাহ ও সাদ্দাম হোসেনকে একটি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আতাউল্লাহর ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাসুদুল হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভাই ঠোঁট, মুখ, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন।

ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের হামলায় আহত এক আন্দোলনকারীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।  ছবি: প্রথম আলোছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের হামলায় আহত এক আন্দোলনকারীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: প্রথম আলোআহত সাদ্দাম হোসেনের বন্ধু আরিফ সরদার বলেন, সাদ্দামের হাত কেটে গেছে এবং মাথায় আঘাত পেয়েছেন। এদিকে মারধরের শিকার হওয়ার আশঙ্কায় গুরুতর আহত নুরুল হক গোপনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গতকাল বেলা দেড়টার দিকে শাহবাগে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার থেকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিনসহ পাঁচজনকে বের করে আনেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ সময় জসিমসহ দুজনকে মারধর করা হয়। পরে জসিমকে শাহবাগ থানার একটি গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশ ক্যাম্পাসের ভেতর প্রবেশ না করলেও শাহবাগ থানার সামনে বেশ কয়েকটি পুলিশ ভ্যান, জলকামান ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন ছিল। আর ক্যাম্পাসের ভেতরে সকাল থেকেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির তৎপরতা দেখা যায়নি। দুপুরের পরে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির লোকজন গ্রন্থাগারে গিয়ে আহত হয়ে পড়ে থাকা হাসান আল মামুনকে বের করে আনেন।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রন্থাগারের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে বলে আমি শুনেছি। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ চলাকালেও লাইব্রেরি খোলা রেখেছি। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একটি পক্ষ লাইব্রেরির প্রবেশপথের রাস্তা অবরোধ করবে কেন?’

উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হামলার দায় অস্বীকার ছাত্রলীগের

হামলার পরপর গ্রন্থাগারের সামনে কথা হয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সঙ্গে। তাঁদের দাবি তাঁরা প্রথমত ছাত্র। তারপর ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মী। ছাত্র হিসেবে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা করতে দিতে পারেন না। তবে গণমাধ্যমে কথা বলার সময় তাঁরা দলীয় পরিচয় দেননি।

পরে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি আন্দোলনকারীদের দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে মারামারি করেছে। যদি কেউ গিয়েও থাকে, তবে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে গিয়েছে। ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মী হিসেবে নয়।’

আর সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ক্যাম্পাস স্বাভাবিক রাখতে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সব ধরণের ব্যবস্থা নেবে।

ঢাকার বাইরে প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম, সংবাদদাতা, বগুড়া জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে বগুড়া শহরের সাতমাথায় মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আজ রোববার সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একই কর্মসূচি আহ্বান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মাসুদ মোন্নাফ।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সমাবেশ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ চট্টগ্রামের আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আরজু। গতকাল বেলা দুইটার দিকে নগরের ষোলশহর রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ চট্টগ্রামের যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েম চৌধুরী।

আন্দোলনকারীরা ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের ধাওয়া দিয়ে ধরে পেটানো হয়। ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে।  ছবি: প্রথম আলোআন্দোলনকারীরা ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের ধাওয়া দিয়ে ধরে পেটানো হয়। ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে। ছবি: প্রথম আলোকোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৫৫ শতাংশ নিয়োগ হয় অগ্রাধিকার কোটায়। বাকি ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। বিদ্যমান কোটা সংস্কারের পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে এর আগে গত ১৪ মার্চ কার্জন হল এলাকায় হামলা চালিয়েছিল পুলিশ। এরপর গত ৮ এপ্রিল শাহবাগে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লাঠিপেটা করলে এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আন্দোলন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। গত ২৭ জুন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কোটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আকবর আলি খান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে খুব অল্প সময়েই কোটার সংস্কার করতে পারে। কেন দেরি হচ্ছে, সেটা সরকারই ভালো বলতে পারবে। প্রথম আলো থেকে।


সম্পাদনা: News Desk, নিউজরুম এডিটর

আমারসিলেট২৪.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Place for advertisement
Place for advertisement
Place for advertisement

সর্বাধিক পঠিত


সর্বশেষ সংবাদ

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
news.amarsylhet24@gmail.com, Mobile: 01772 968 710

Developed By : Sohel Rana
Email : me.sohelrana@gmail.com
Website : http://www.sohelranabd.com