কুলাউড়ায় করোনা আক্রান্ত ১১ কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতে মাঠে প্রশাসন

0
45

এম এম সামছুল ইসলাম ও আব্দুল হামিদ,জুড়ী,মৌলভীবাজার: দেশে আবারো বাড়ছে করোনা, কুলাউড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ জন। করোনা সংক্রমণ রোধে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা সিভিল সার্জনের নির্দেশনা অনুযায়ী কুলাউড়ায় আক্রান্তদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা এবং পুলিশ প্রশাসন। শনিবার (৩ এপ্রিল) সকাল দশটা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের করোনা আক্রান্ত ১১ জনের বাসা-বাড়িতে গিয়ে ‘কোয়ারেন্টাইন’ নিশ্চত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত করোনা টেস্টের জন্য ৫২ জন নমুনা দেন। এর মধ্যে ১১ জনের করোনা পজিটিভ আসে। গত ৩১ মার্চের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী মৌলভীবাজার জেলাজুড়ে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির হার সর্বোচ্চ হওয়ায় জেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন সংক্রমণরোধে আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, জরুরী প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে বন্ধ, সকল ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠান ও গণজমায়েত বন্ধ, গণ পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী বহন, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ প্রদান করেন। ওই নির্দেশনানুযায়ী কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাকির হোসেন, সমন্বয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের এবং প্রশাসনের একটি টিম শনিবার সকাল থেকে উপজেলার পৌর এলাকাসহ জয়চন্ডী, ব্রাহ্মণবাজার ও কাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আক্রান্তদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন মেনে ঘরে থাকা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জসীম উদ্দিন ও কুলাউড়া থানার ওসি তদন্ত মো. আমিনুল ইসলাম। ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, জেলা প্রশাসক মীর আহসান নাহিদের নির্দেশনায় এ পর্যন্ত উপজেলায় আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনানুযায়ী মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সকল নির্দেশনা মেনে চলার জন্য উপজেলার প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

এখন থেকে মাঠে প্রশাসনের নজরদারী থাকবে। যদি কেউ এই নির্দশনা অমান্য করেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া উপজেলার সকল মসজিদের ইমামদের সাথে আমরা নিদের্শনা প্রদান করবো, যাতে সকলেই আইন মেনে চলে।