দীর্ঘ উনিশ বছর নিষ্ঠা ও নিরলস ভাবে খতীব হিসাবে দায়িত্ব পালন করে সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই পারিবারিক প্রয়োজনে অতিসম্প্রতি বিদায় নিয়ে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে চলে গেছেন। যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও যে প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরে এসেছিলেন সেই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে অনেক অফার ও সু্যোগ সুবিধা পাওয়ার পর ও অন্যত্র না গিয়ে তিনি এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আজ উনার পারিবারিক প্রয়োজনে যেতে হচ্ছে তাই বিদায় নিতে হচ্ছে এই বিদায় আনন্দের নয় এই বিদায় অশ্রু নয়নের বেদনার। কার্ডিফ শাহজালাল মস্ক এন্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টার এর পক্ষ থেকে উনার বিদায় উপলক্ষে এক বিদায়ী সংবধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রেস্ট মানপত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। শাহজালাল মসজিদ কমিটি ও কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়ার মাহফিলে উপস্থিত মুসল্লীয়ানদের অজরো কান্না ও বিদায়ী মোলাকাতে বেদনার চিত্র দেখা গেছে। বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তারা মাওলানা আলহাজ্ব বদরুল হকের দীর্ঘ উনিশ বছর দায়িত্ব পালনের ভূয়শী প্রশংসাসহ উনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন। এদিকে ডেইলি সিলেট এন্ড দৈনিক মৌমাছি কন্ঠের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ও ওয়েলস বাংলা নিউজের এডিটর মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে কার্ডিফ শাহজালাল মস্ক এন্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টার এর বিদায়ী খতীব বিশিষ্ট মাওলানা হাফিজ বদরুল হক বলেন আমার পারিবারিক প্রয়োজনে আমাকে যেতে হচ্ছে সত্য কিন্তু আমার মন সব সময় এখানেই পড়ে থাকবে। কমিউনিটির যে ভালোবাসা ও আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছেন এই জন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আমাদের কমিউনিটির প্রয়োজনে যেনো উনাকে আবার আমরা পাই এই প্রশ্নের জবাবে এই সেতু বন্ধন যেনো আজীবন অটুট থাকে এই দোয়া কামনা করে তিনি বলেন মসজিদের স্পন্সরে এসেছিলাম অনেক অফার ও সু্যোগ সুবিধা পাওয়ার পর ও এই মসজিদ থেকে অন্য শহরের যাইনি। যদি ভবিষ্যতে আমাকে আসতেই হয় তবে প্রথমে এই প্রতিষ্ঠানই আমার চয়েস থাকবে বলে তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন।