ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) বিরোধীদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন !

0
80
ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) বিরোধীদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন !


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোনো জশনে জুলুস করতে না দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন কওমি পন্থী ওলামারা। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম মেড্ডায় দারুল আরকাম মাদরাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এ অনুরোধ জানান তারা।

এ সময় লিখিত বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া কওমি মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি মুবারক উল্লাহ বলেন, “আগামী ২০ অক্টোবর কতিপয় বিদাআত বিশ্বাসী লোকজন তথাকথিত জশনে জুলুস করতে যাচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের এক ব্যক্তি ঈদে মিলাদুন্নবীর নামে জশনে জুলুস আবিষ্কার করেন। মুসলমানদের ঈমান-আকিদাহ বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই জশনে জুলুস পাকিস্তান থেকে আমদানি করা হয়েছে।“


তিনি আরও বলেন, ‘জশনে জুলুস যেহেতু ইসলামের আলোকে শরিয়তসম্মত নয়, তাই করোনাকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জশনে জুলুস যেন কেউ না করতে পারে; সে জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। জশনে জুলুসের নামে কেউ যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানাচ্ছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলেমগণ ও তৌহিদি জনতা অপপরিকল্পনাকারীদের ব্যাপারে সোচ্চার আছেন।’


কওমি পন্থিদের সংবাদ সম্মেলন সংক্রান্ত বিষয়ে বি-বাড়িয়ার এক আলেমের সাথে আমার সিলেটের কথা হলে তিনি জানান, ওরা নিজেরাই এই এলাকাকে শাসন করতে চাই সরকারী আইন বিধান তাদের কাছে তুচ্ছ! তাদের সাথে তাদের মতের সাথে মিল না হলে আক্রমন,হামলা,মামলা,জালাও পুরাও করে অন্যার স্বাধীনতা দমিয়ে রাখে যা এই অঞ্চলের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দিবালোকের ন্যায় ভেসে উঠবে। ওরা ওদের ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেড়িয়ে না এসে বরং কোমলমতি ছাত্রদের দিয়ে সরকারী বে সরকারী প্রতিষ্ঠান ভাংচুরসহ জঙ্গি হামলা করে আতঙ্ক তৈরি করে নিজেদের মতো শাসন চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে চাই,তা না হলে সরকারের অন্যান্য কর্মসুচি যেমন বাঙ্গালী জাতির স্থপতি শহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি এবং অন্যান্য দলের নেতাদের জন্মদিন এমনকি তাদের ফেইসবুক ঘেঁটে দেখুন তাদের নিজেদের বা স্বজনদের জন্মদিন,মৃত্যুদিন ইত্যাদি পালনে কোন আপত্তি নেই,আপত্তি কেবল সৃষ্টির সূচনা, সমগ্র জগত সমূহের রহমত (কল্যাণ) প্রিয় নবীর শুভাগমনের অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবির মিছিল সমাবেশ ঘিরে।

তিনি আরও বলেন,আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ করবো যারা এখনো বাংলাদেশের পতাকাকে সম্মান করতে শিখেনি স্বাধীনতার ৫০ বছরেও যারা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশের জাতীয় পতাকাকে মূল্যায়ন করতে শিখেনি। তাদের প্রতারণায় পা দিবেন না,আজ তাদের ফাঁদে পা দিলে কাল থেকে তাদের মর্জিমাফিক জায়েজকে হারাম বানাতে হবে সাম্প্রতিক কর্ম কাণ্ডই প্রমাণ বহন করে। একটি কথা না বললেই নয়, যারা ঈদে মিদুন্নবিকে বিদআত বলছে তাদের ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্টদের বলবো এবং অনুরোধ করবো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নেতৃস্থানীয় সুন্নি ওলামাদের সাথে ঈদে মিদুন্নবি শেষে দিন তারিখ করে সরকারী ভাবে মন্ত্রণালয়ে বহসে বসার ব্যবস্থা করুন তাহলেই বুঝা যাবে কোনটি বিদআত আর কোনটি নবীর প্রতি সূক্ষ্ম বিদ্বেষ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here